logo
শিরোনাম

৭ মার্চ ভাষণের স্বীকৃতি শনিবার সরকারিভাবে উদযাপন করা হবে


৭ মার্চ ভাষণের স্বীকৃতি শনিবার সরকারিভাবে উদযাপন করা হবে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে জাতিসংঘ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (ইউনেস্কো) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় তা সরকারিভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। 

এ উপলক্ষ্যে আগামীকাল শনিবার রাজধানীতে আনন্দ শোভাযাত্রা, সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

 

শুক্রবার সকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি জানান, ৭ মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি উদযাপন উপলক্ষে শনিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। এরপর সেখান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হবে। এই শোভাযাত্রা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে মিলিত হবে।

 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এরপর বিকেল তিনটায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির ভাষণ দিবেন।

 

দেশের বাইরে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

 

এক প্রশ্নের উত্তরে শফিউল ইসলাম জানান, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়েছে।

 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

 

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দেওয়া বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণটিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম প্রেরণাদায়ী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণসহ আন্তর্জাতিক দলিলে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ঐতিহ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২৭টি।

 

এর আগে গত ১৮ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নাগরিক সমাজের ব্যানারে সমাবেশ করে এই স্বীকৃতি উদযাপন করে।

মন্তব্য

উপর