logo
শিরোনাম

মৌলভীবাজারে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু কে কেন্দ্র করে মানববন্দন


মৌলভীবাজারে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু কে কেন্দ্র করে মানববন্দন

মৌলভীবাজার শহরের মোস্তফাপুর রোড, নুরজাহান প্রাইভেট হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় সদর উপজেলার একাটুনা ইউনিয়নের মনোহরকোনা গ্রামের সিন্টু পালের স্ত্রী পপী রানী পাল (১৯) নামের এক প্রসূতি মায়ের অকাল মৃত্যুতে দোষীদের সঠিক বিচার ও শাস্তির দাবীতে শহরের চৌমুহনায় এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।


 
আজ সকাল ১০ ঘটিকায় চৌমুহানাচত্বরে সচেতন ছাত্র-যুবসমাজ ও মনোহরকোনা গ্রামবাসীর যৌত উদ্যোগে অনুষ্টিত মানববন্ধন শেষে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। 

 

 

মনোহরকোনা গ্রামের টিটু পালের সভাপতিত্বে ও দুর্ণীতি মুক্তকরন বাংলাদেশ ফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক চিনু রঞ্জন তালুকদার এর সঞ্চালনায় প্রায় ২ ঘন্টা ব্যাপি মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বক্তব্য রাখেন- হিন্দু বৈদ্য খ্রিষ্টান পরিষদের সাধারন সম্পাদক বিকাশ ভৈমিক, সাংবাদিক বাবর আহমদ হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক শ.ই. সরকার জবলু, মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক মশাহিদ আহমদ, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বিকাশ ভৌমিক, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নির্মল কান্তি দেব, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ সরকার, জীবন চক্র থিয়েটার সভাপতি আনোয়ার হোসেন দুলাল, সাধারন সম্পাদক মনোজ দত্ত, বাংলাদেশ স্বেচ্চা সেবকলীগ সহ- সভাপতি জগদীশ দাশ, টিএসএস যুগ্ন সাধারন সম্পাদক প্রবলু দত্ত, জেলা ছাত্রলীগনেতা ফয়সল মনসুর, দুর্ণীতি মুক্তকরন বাংলাদেশ যুব ফোরাম মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ ময়নুল ইসলাম রবিন, সহ- সভাপতি নয়ন দে, বিষ্ণু দে, সুজন রায় প্রমুখ। বক্তারা মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ডাক্তার ফারজানা হক পর্ণা ও নুরজাহান প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোয়াহিদ আহমদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান।


 
উল্লেখ- গত ২৪ নভেম্বর রাত ৮ ঘটিকায় সন্তান সম্ভবা পপি রাণী পাল নূরজাহান প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হন। 
ডা. ফারজানা হক পর্ণা ও তার সহযোগীরা ৩বার অপারেশন করেন এবং হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ পেটের ভিতর বেলুন ডুকিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেন। 

 

ভোর ৬টার দিকে মূমূর্ষ অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ  করেন। 
এম.এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে প্রেরণ জন্য বলেন ওসমানী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

 

রোগীর শারিরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি দেখে ঢাকায় না গিয়ে সিলেটের স্থানীয় পার্ক ভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কৃত্তিম বেলুন পদ্ধতি অপরিবর্তিত রেখে ৮ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়।
 
রাত ৪টায় পার্ক ভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পপি রাণী পাল মারা যান। এ ঘটনায় গত ২৯ নভেম্বর মনোহরকোনা গ্রামের মৃতঃ পপী রানী পাল এর দেবর মিন্টু পাল বাদী হয়ে ডাক্তার ইসতিয়াক আলম এর স্ত্রী মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ডাক্তার ফারজানা হক পর্ণা ও নুরজাহান প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোয়াহিদ আহমদসহ আরোহ  ৪/৫ জনকে আসামীম করে মৌলভীবাজার আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মন্তব্য

উপর