logo

পরকীয়ায় ধরা খেল যুবলীগ নেতা, অতঃপর গণধোলাই


পরকীয়ায় ধরা খেল যুবলীগ নেতা, অতঃপর গণধোলাই

পরকিয়া এ যেন এখন ওপেন সিক্রেট, শ্রমজীবী থেকে শুরু করে প্রবাসীর স্ত্রী প্রায়ই পরকিয়া কর্মে লিপ্ত এরি ধারাবাহিকতায়, পরকিয়া করতে গিয়ে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ৯নং টিলাগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইসলাম উদ্দিনকে আটক হলেন এলাকাবাসীর হাতে।  

 

জানা গেছে, ৫নং ওয়ার্ডে লহরাজপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের মেয়ে ইয়াসমিন বেগম সাথে একই গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আল-আমিনের সাথে বিয়ে হয়। তাদের একটা কন্যা সন্তান রয়েছে। স্বামী রাজমিস্ত্রি  জীবিকার তাগিদে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামা-অঞ্চলে কাজ করতে যান, ঘটনার দিন তিনি কাজে থাকার কারণে বাড়িতে আসা হয় নি। 


সেই সুযোগ কাজে লাগায় প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা ইসলাম উদ্দিন ও পরকিয়া প্রেমিকা ইয়াসমিন।

ইয়াসমিন-ইসলামের পরকিয়া বেপরোয়া চলাফেরা এতটাই বেগবান গতিতে চলছিল যখনি সুযোগ পেতেন তখনি দু'জন মিলিত হতেন আদিম খেলায় যা এলাকাজুড়ে আলোচিত বিষয় বলে অভিযোগ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিবেশীরা।

 

প্রতি দিন রাতে ইয়াসমিনের কাছে আসা যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেন আশপাশের বাসিন্দারা। তাই সকল প্রতিবেশী এক হয়ে এদের কে হাতেনাতে ধরার জন্য পাহারা দিতে থাকে, এরি ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন  প্রতিবেশীদের হাতে ধরা পড়ে ইয়াসমিন ও ইসলাম পরকিয়া যোগল।

স্থানীয়রা জানান,ইয়াসমিনের দিনমজুর স্বামী আল-আমিন, তার স্ত্রী ও ইসলামের এই বেপরোয়া চলাফেরার বিষয়ে  তার পিতা আব্দুল মতিনের কাছে বিচার দিলে সে আরো হুমকি ধামকি ও পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার ভীতি প্রদর্শন করে। 

 

স্বামী আল- আমিন ভয়ে মুখ খুলেনি কখন যে অন্যায় ভাবে পুলিশ এনে তাকে ধরিয়ে দেয় এবং ইসলাম এলাকার সব চাইতে বড় মাস্তান হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক পরিচিত,এবং সরকার দলের প্রভাব খাটিয়ে ইতিপূর্বে এই ধরণের অনেকের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে নাম ও পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানান ইসলামেরি এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু, তিনি বলেন "ইসলাম মৌলভীবাজার সদর উপজেলার এক কাতার প্রবাসীর স্ত্রীর সাথেও পরকিয়ায় লিপ্ত আছে, সেই মহিলার বাবার বাড়ি আমাদেরি আশেপাশের গ্রামে আর স্বামীর বাড়ী মৌলভীবাজার সদরে ঐ মহিলা এখন নিজের বাসা ছেড়ে ভারা বসায় থাকেন এবং ইসলাম প্রায়ই ঐ দুই সন্তানের জননীর সাথে মিলিত হন"। আরো জানতে চাইলে তিনি জানাতে অসম্মতি জানান।

 

অনেক ভয় উপেক্ষা করে (১২) জানুয়ারি রাত ৩টায় হাতে নাতে ধরে উত্তম মাধ্যম দিয়ে ইউ,পি চেয়ারম্যান আব্দুল মালিকের কাছে তুলে দেন স্থানীয়রা। 

এ বিষয়ে ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার দেওয়ান চাঁন্দ আলীর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আর কিছু বলতেও পারব না। কিন্তু স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মেম্বার সব কিছু জানেন (১৩) জানুয়ারি সন্ধায় গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে শেষ হবে বলে জানান স্থানীয় এক ব্যক্তি।


এ ব্যাপারে কুলাউরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এর সাথে যোগাযোগ করলে, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেননা বলে জানান তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য

উপর