logo

সাংবাদিকদের মেরে বস্তা ভরে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিল “রাজউক”


সাংবাদিকদের মেরে বস্তা ভরে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিল “রাজউক”

রাজধানীর উত্তরা জোনের ফায়দাবাদ মোজার ট্রান্সমিটার সংলগ্ন রোমান্স টাওয়ার নামের একটি রাজউকের নিয়ম অমান্য করে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিশেষ সুত্রে খবর পেয়ে গত ২৬শে মার্চ ২০১৮ইং তারিখে দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ রফিকুল ইসলাম রাজউক উত্তরা ২ জোনের অথরাইজড অফিসার ইজ্ঞিনিয়ার আশরাফুল ইসলাম এর সাথে আলাপ আলোচনা শেষে ইন্সপেক্টর মোঃ শামীম এর সাথে কথা বলার জন্য গেলে হঠাৎ করে তার সামনে এসে দাঁড়ান উত্তরার কতিথ মুখোশদ্বারী সন্ত্রাশি মাহমুদুল। 

রফিকুল ইসলামের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে উত্তরার কতিথ মুখোশদ্বারী সন্ত্রাশি মাহমুদুল সাংবাদিকের সাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তার সাথে থাকার নাজমুল আলম ভূইয়া রোমান্স টাওয়ারের মালিক পরিচয় দিয়ে তার সাথে উচ্চ বাক্য বাকতন্ত্রে যান এবং এক পর্যায়ে দক্ষিণখান আদর্শ ইউনিয়ন পরিষদের সফল মেম্বার মোঃ মোতালেব মিয়ার নাম দরে বলে তোমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছে। 

এ সময় রফিক দৈনিক আলোর জগত পত্রিকার চীফ রির্পোটার এইচ এম আমিনুল ইসলাম আমানকে মোবাইলে বিষয়টি জানালে তাৎক্ষনিক ঘটনা স্থলে পৌছে নাজমুল ও মাহমুদুলকে বুঝানোর চেষ্টা করে। মাহমুদুল না শুনে সাংবাদিক রফিকুলকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে এবং মারার জন্য দৌড়ে আসে ও বলে মেম্বার তোকে তুলে নিতে বলেছে। সাংবাদিক আমান বলেন আমাদের জানা মতে মোতালেব মেম্বার একজন সাদা মনের ভালো মানুষ। তিনি কখনো সাংবাদিকদের অবমূল্যায়ণ করেন না এং বিশ্বাস করতে পারছি না যে, তিনি এমন কথা বলেছেন। নাজমুল তার মোবাইল থেকে মেম্বার সাহেবের নাম বলে ফোন আলাপের নাটক করেন, যা আমাদের বিশ্বাসযোগ্য নয়। 

অবশেষে নাজমুল নিরুপায় হয়ে মোতালেব মেম্বারের সাথে তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সাংবাদিক আমানের সাথে কথা বলার জন্য দিলে মেম্বারার সাহেব তখন বলেন সাংবাদিক জাতীর বিবেক, তারা দেশে সম্মানিত ব্যাক্তি, আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সাংবাদিকদের খুব ভালোবাসি। আমরা রাত্র ঘুমিয়ে সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠে দেশের বর্তমান সকল খবরাখবর সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পারি। দেশের বড়বড় সকল অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনায় সাংবাদিকদের অবদান বিশেষ। সাংবাদিক না থাকলে এদেশের মানুষ তাদের সকল ন্যার্য অধিকার  থেকে বঞ্চিত হত। মেম্বার সাহেবের সাথে কথা শেষে নাজমুল ও মাহমুদুলকে সাংবাদিক আমান মেম্বার সাহেবের ফোন আলাপের বিষয় জানাতে চাইলে তারা দুজনেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। তারা বলেন তোদের মতো দু-একটা সাংবাদিককে রাজউকের ছ্দা থেকে নিচে ফেলে মেরে ফেললে কি আর হবে, আমাদের কিছুই হবে না। 

আমরা এ দেশের হর্তা কর্তা ,আমাদের কথামত সবাই চলে তোদের ও চলতে হবে। এ সময় উত্তরা সেন্টার প্রেস ক্লাবের সিঃ সহ সভাপতি ও এসিয়ান টিবির সাংবাদিক মোঃ সহিদুল ইসলাম এসে তাদের  সান্ত করেন ও নিয়ন্ত্রনে আনেন । গত ৩১/০৩/২০১৮ইং তারিখে সাংবাদিক এইচ এম আমান ও সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম সহ মোঃ মোতালেব মেম্বার এর সাথে ২৬/৩/২০১৮ ইং উত্তরা রাজউকের ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে জানতে ছাইলে তিনি বলেন নাজমুল আলম ও মাহমুদুল সাংবদিকের সাথে যে খারাপ আচরন করেছে তা খুব দুঃখ জনক। কিন্তু তারা আমার নাম ব্যবহার করে যে কথা বলেছে তা কখনো সত্য নয়। 

আমি ফায়দাবাদ তথা দেশবাসী ও পুরো সাংবাদিক জাতির কাছে বলতে চাই আপনারা আরো শোচ্ছার হন অপরাধী যেই হোকনা কেন আপনারা আপনাদের মিডিয়ার মাধ্যমে তা তুলে ধরে দেশবাসী ও প্রশসনকে সহযোগিতার বাড়িয়ে দিন যাতে করে অপরাধী যতই ক্ষমতাশীল হোকনা কেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যেন মূল অপরাধীদের আ¦েিনর আওতায় আনতে পারে। পরে ঐএলাকার আরেক জন স্বনামধন্য ডা.বাদলের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ আলোচনা শেষে সাংবাদিকদ্বয় খন্দকার স্কুলের সামনে থেকে  রিক্সাযোগে আটিপাড়া বাজারের উদ্দের্শে রওয়ানা হয়ে রোমান্স টাওয়ারের সামনের প্রধান রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় হটাৎ করে অজ্ঞাত নামা ৩/৪জন লোক এসে রিক্সার গতি রোধ করে আমাদের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে বলে তোরা শালারা বেশী বাড়া বাড়ী করতেছিস, তোরা গত ২৬/৩/২০১৮ইং তারিখে উত্তরা রাজউক অফিসে আমাদের বস নাজমূল আলম ভ’ইয়ার ভবন (রোমান্স টাওয়ার)নিয়ে কেন আলোচনা করছিস। 

তোরা শুনে রাখ আগামী ৪৮ঘন্টার মধ্যে এই ঢাকা শহর ছেড়ে চলে যাবি, না গেলে তোদের মেরে বস্তা ভরে পাশের তুরাগ নদীর পানিতে ভাসিয়ে দিবো, যাতে করে তোদের কোন আত্বীয় স্বজন তোদের কোন সন্ধান না পায়। তই সাংবাদিকদ্বয় তাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে দক্ষিনখান থানায় একটি সাধারন ডাইরি করেন ।যাহার নাম্বার -১৮১২,তারিখ ৩১/০৩/২০১৮.রাজউকে ঘটে যাওয়া বিষয়ে রাজউক উত্তরা ২ জোনের অথরাইজড অফিসার  ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন মাহমুদুলের অত্যাচারে আমরা প্রায় অতিষ্ট হয়ে পডেছি,তার কথা মত কাজ না করলে সে রাজউকে এসে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। তার সাথে আমার অফিসের কিছু দুষ্কৃতিকারী কর্মচারী জড়িত থাকায় তার সাহস দিনদিন বেড়েই ছলেছে। তার বিষয়ে আমরা এ এলাকার কমিশনার আফসার উদ্দিন খান সাহেবকে অবহিত  করেছি।

মন্তব্য

উপর