logo

পৌর মেয়রসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


পৌর মেয়রসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৬ নং চরঈশ্বরদীয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রাপ্ত ভূমি হস্তান্তর করের টাকা পৌরসভায় অবৈধভাবে কেটে নেয়াসহ কয়েকটি অভিযোগে ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদর উপজেলার সাব-রেজিষ্ট্রারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন  পৌর মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু।

বৃহস্পতিবার (১০ মে) বিকেলে নগরীর পৌর মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেয়র ইকরামুল হক টিটু এ মামলাকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছেন।

মেয়র লিখিত বক্তব্যে বলেন, সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ভূমি হস্তান্তর বাবদ প্রাপ্ত কর ময়মনসিংহ পৌসভার ব্যাংক একাউন্টে চরঈশ্বরদীয়া ইউনিয়ন এলাকার যে পরিমাণ টাকা জমা হয়েছে তা ইতিমধ্যেই পৌরসভার কাজে বিধি মোতাবেক ব্যয় হয়ে গেছে। তার খোঁজ পাওয়ার পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পর্যায়ক্রমে চরঈশ্বরদীয়া ইউনিয়নের টাকা ফেরত দেয়া হচ্ছে। গত ২০১৭ অর্থ বছরের মে মাসে ৫০ লাখ টাকা জমা দেয়া হয়েছে। তাহলে অভিযোগকৃত টাকা কোথায় আত্মসাত হলো।

তিনি বলেন, আসলে আমি আগামী নির্বাচনে একজন প্রার্থী হিসেবে জনসংযোগ করে যাচ্ছি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈশ্বান্বিত হয়ে নিয়ে জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বানোয়াট একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সকল অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন মেয়র টিটু।

এসময় প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, পৌসভার কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত রবিবার ( ৬ মে) দুপুরে সদর উপজেলার চরঈশ্বরদীয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রাপ্ত ভূমি হস্তান্তর করের শতকরা ১ ভাগ সরকারী অর্থ ১ কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ৫৮৩ টাকা ৯৬ পয়সা ‘ষড়যন্ত্রক্রমে গোপনীয়ভাবে সম্পূর্ণ বেআইনী ও অবৈধভাবে আত্মসাৎ করে নিজেরা অন্যায়ভাবে লাভবান ও ইউনিয়ন পর্যায়ের উন্নয়নের অপূরনীয় ক্ষতি সাধনের অভিযোগ এনে ইউপি চেয়ারম্যান মোরশেদুল আলম জাহাঙ্গীর পৌর মেয়রসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে আসামী করা হয়, পৌর মেয়র ইকরামুল হক টিটু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম তরিকুল আলম ও সদর উপজেলার সাবেক সাব-রেজিষ্টার মো: সাইফুল ইসলাম।

এ মামলায় সদর উপজেলার ১০ ইউপি চেয়ারম্যান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর উপজেলা প্রকৌশলীসহ ১৪ জনকে স্বাক্ষী করা হয়েছে।

মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুর রহমান আল হোসাইন তাজ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ১নং আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মাসুদুল হক মামলাটি গ্রহন করে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমতির জন্যে প্রেরণ করেছেন। 

মন্তব্য

উপর