logo

ফুলের সুবাস সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন: রাবি উপাচার্য


ফুলের সুবাস সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন: রাবি উপাচার্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেছেন, ‘যে সবসময় পরিষ্কার থাকে তার অন্তরও পরিষ্কার থাকে। আপনারা মনোযোগ দিয়ে কাজ করে ফুলের সুবাস সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন।’
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় প্রশাসন ভবনে প্রথম বারের মতো কাজে উৎসাহ বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত মালিদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক সোবহান বলেন, ‘পদবী বড় জিনিস নয়। আমরা সকলেই মানুষ। আমাদের আজকের এই পুরস্কার প্রদান মালিদের কাজে নতুন মাত্রা যোগ করবে।’ আগামীতে সকলকেই যেন পুরস্কার দেওয়া যায় সেজন্য মনোযোগ দিয়ে কাজ করার আহŸান জানান উপাচার্য।

অনুষ্ঠানে তিন ক্যাটাগরিতে চার দলকে পুরস্কৃত করা হয়।

এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষায় অনেকে অনেকভাবে পরিশ্রম করেন। তাদের মধ্যে মালিরা শারীরিকভাবে পরিশ্রম করে, রোদ-বৃষ্টির মধ্যে কাজ করে। বিভিন্ন স্থান থেকে রাবিতে অনেকেই ফুল বাগান দেখতে আসেন। মালিরা কায়িক পরিশ্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়কে সুন্দর রাখেন। যারা ভাল কাজ করবেন তাদের এমন পুরস্কার প্রদান করে উৎসাহিত করবো, যারা খারাপ কাজ করে আমরা তাদের পাশে থাকবো না।’

পুরস্কার প্রদানের জন্য দল নির্বাচনে তিন সদস্যের কমিটির আহŸায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস, সদস্য জনসংযোগ দপ্তরের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার, সদস্য উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক গৌড়পদ ঘোষ ছিলেন।

জানতে চাইলে জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসন ও ফুলবাগান মূল্যায়ন কমিটির সদস্য অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার বলেন, তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে কাজের মূল্যায়ন করা হয়েছে। প্রশাসন ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন উপ-উপাচার্য বাসভবনের মালি আলমগীর হোসেন ও তার সহযোগীরা, মতি বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা দ্বিতীয় হয়েছেন। হল/ইনস্টিটিউড ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের মালি মো. আলম ও তার সহযোগীরা, এতে মো. জাবিদ হোসেন ও তার সহযোগীরা দ্বিতীয় পুরস্কারটি পেয়েছেন। একাডেমিক ভবন ক্যাটাগরিতে ৫০ শতাংশের বেশি নাম্বার না পাওয়ায় কাউকে মনোনিত করা যায়নি।

ফুল বাগানের সার্বিক অবস্থা, পরিচর্যা ও ফুলের মান, এই তিনটি বিষয় বিবেচনা করে নাম্বারিং করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান আল-আরিফ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার। মালিদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব জাগাতে ও পেশাগত কর্মদক্ষতা বাড়াতে এটি সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দেড় শতাধিক মালি উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য

উপর