logo

হবিগঞ্জে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাশুড়ি-পুত্রবধূ হত্যা


হবিগঞ্জে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাশুড়ি-পুত্রবধূ হত্যা

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাশুড়ি ও পুত্রবধূকে হত্যা করেছে দুই ঘাতক। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামী জাকারিয়া আহমেদ শুভ ও তালেব হোসেন।

 গতকাল বিকেল ৫টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান বিধান ত্রিপুরা। শুভ রহমান বাহুবল উপজেলার খাগাউড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানে ছেলে ও আবু তালেব একই গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।

এসপি বিধান ত্রিপুরা জানান, নবীগঞ্জ উপজেলার সাদুল­াহপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী আখলাছ মিয়া। তার বসতঘর ও পরিবারের লোকজনের দেখাশোনার কাজ করতেন তালেব হোসেন। দীর্ঘদিন দেখাশোনার দায়িত্বে থাকার কারণে আকলাক চৌধুরীর স্ত্রী রুমি ওপর কুনজর পড়ে তালেবের। শুধু তাই নয়, তালেব রুমীকে প্রায়ই বিভিন্নভাবে রুমিকে উত্যক্ত করতো। তালেবের সঙ্গে যোগ দেয় শুভ। দুইজন মিলে রুমিকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে। এক পর্যায়ে গত ১৩ মে রাতে রুমীর ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় আকলাক চৌধুরীর মা বিষয়টি টের পেলে তাকে ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে রুমীকেও হত্যা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, হবিগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ.স.ম শাসছুর রহমান ভূঁইয়া, সহকারি পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহআলমসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

জেলার নবীগঞ্জে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের হাতে এক লন্ডন প্রবাসীর স্ত্রী ও তার মা নির্মমভাবে খুন হয়েছেন। রবিবার (১৩ মে) রাত ১১টার দিকে কুর্শি ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর গ্রামে লন্ডন প্রবাসী আকলাক চৌধুরী ওরফে গুলজার মিয়ার মা মালা বেগম (৫৫) ও স্ত্রী রুমি বেগম (২২) খুন হন। এ ঘটনায় নিহত রুমি বেগমের বড় ভাই পল্লী চিকিৎসক নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে সোমবার রাতে নবীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ একই গ্রামের তালেব মিয়া, প্রতিবেশী ক্বারী আব্দুস ছালাম, তার ছেলে শহিদুর রহমান, শুভ রহমান ও রিপন সুত্রধর।

মন্তব্য

উপর