logo
Left-side-ad-projonmo.com
right float
শিরোনাম
app download

ভোলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে সীমের আবাদ, কৃষি বিভাগ পাশে নেই অভিযোগ চাষীদের


ভোলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে সীমের আবাদ, কৃষি বিভাগ পাশে নেই অভিযোগ চাষীদের

ভোলায় এবার সীমের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। সীম চাষীরা এখন ফসল তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে ফলন ভাল হলেও ডিসেম্বরের শুরুর দিকের অকাল বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চাষীরা। কেউ কেউ লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করলেও আবার কেউ কেউ লোকসানের আশঙ্কা করছেন। চাষীদের অভিযোগ রোগবালাইতে ফসলের ক্ষতি হলেও কৃষি বিভাগ তাদের খোঁজ খবর রাখে না। তবে কৃষি বিভাগের দাবি তারা কৃষকদেরকে যথাযথ পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয় গ্রাম। ইউনিয়নের অন্যান্য গ্রামের দৃশ্যও প্রায় একই রকম।

ধান চাষের চেয়ে অধিক লাভবান হওয়ায় এখানকার অধিকাংশ কৃষক এখন সীমের চাষ করছেন। বিলের পর বিল শুধু সীম আর সীম। ইউনিয়নের সহরাধিক কৃষক এখন সীম চাষ করে সাবলম্বী হয়েছেন। তবে চাষীরা জানিয়েছেন চলতি মৌসুমের শুরুর দিকে এবার হঠাত করে টানা তিন দিন প্রচুর বৃষ্টি হয়েছিল। ওই বৃষ্টিতে তাদের গাছের ক্ষতি হয়েছে। অনেক গাছ মরে গেছে। চাষীরা আবার নতুন করে বীজ লাগিছেন। ফলে সীমের ফুল ফল আসতে অনেক দেরি হয়ে গেছে।

ফলন দেরীতে আসলেও এ বছর সবজীর দাম ভাল পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। রোগবালাইতে আক্রমণ করলেও চাষীরা কৃষি বিভাগের কাউকে পাশে পাচ্ছেন না।

এদিকে মাঠে রোগবালাই আক্রমণসহ যে কোন সমস্যা মোকাবেলায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদেরকে যথাযথ পরামর্শ দিয়ে থাকেন বলে দাবি করেছেন এই জেলা কর্মকর্তা।

এব্যাপারে জেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা জানান, ভোলা সদরসহ দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন, লালমোহন, ও চরফ্যাসন উপজেলায় প্রচুর পরিমাণে সীম চাষ হচ্ছে। জেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯৬০ হেক্টর জমিতে সীম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৫৫ হেক্টর জমিতে এবং ভোলা সদর উপজেলায় সীমের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৪৫ হেক্টর জমিতে। আবাদ হয়েছে ১৫০ হেক্টর জমিতে। প্রতি কেজি সীম ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করায় চাষীরা বেশ লাভবান হচ্ছে।  

মন্তব্য

উপর