logo
Left-side-ad-projonmo.com
right float
শিরোনাম
app download

অবৈধ মধুচক্রের হোতা ইয়াবা সুন্দরী নীলা


অবৈধ মধুচক্রের হোতা ইয়াবা সুন্দরী নীলা

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ভাড়াবাসায় অবৈধ মধুচক্র ও মাদক ব্যবসা চালানোর মূলহোতা ইয়াবা সুন্দরী নীলা ইসলাম এখন সহযোগীসহ জেলহাজতে। আর এ কাজটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে আগৈলঝাড়া থানার ওসি’র উদ্যোগে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার তৎপরতার কারণে।

বিশ্বস্তসূত্রে প্রকাশ, আগৈলঝাড়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী কোটালীপাড়া উপজেলার হরিণাহাটি গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ শিকদারের মেয়ে নীলা ইসলাম লিনা (৩২)। মহিলা মাদক ব্যবসায়ী নীলা দীর্ঘদিন ধরে আগৈলঝাড়া প্রধান সড়কের ব্র্যাক সংলগ্ন ব্রিজের পাশে মিথুন মেম্বারের মালিকানাধীন বাসায় ভাড়া থেকে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা সেবন-বিক্রি, দেহব্যবসাসহ নানান অবৈধ কাজ চালিয়ে আসছিল। তবে বিভিন্ন সময় সে এসব কাজ অবাধে চালিয়ে যাবার জন্য কিছু প্রভাবশালীকে ব্যবহার করতো বলে জানা গেছে। যার ফলে নীলা ওরফে লিনার এসব অবৈধ কাজকর্ম প্রশাসনের নজরদারীতে আসেনি।

নীলার মাদক ও দেহব্যবসার কারণে এলাকার ও পার্শ্ববর্তী গৌরনদী থেকে সময় অসময় নিয়মিত খদ্দেরদের ভিড় লেগে থাকলেও অনেকে নীলার দাপটে মুখ বুজে থাকতো। তার অবৈধ দেহব্যবসার জন্য উঠতি যুবক-তরুণরা এইডসের মত মারাত্মক রোগগ্রস্থ হয়ে পরার আশঙ্কা করছেন অভিভাবকসহ অনেক সচেতন নাগরিক।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বিষয়টি জেনে নীলা ও তার দোসরদের হাতেনাতে ধরার সুযোগ খুঁজছিলেন। কিন্তু এ কাজে তাকে অনেকেই সহায়তা করতে না চাইলেও কলেজের পিছনে ফুল্লশ্রী গ্রামের শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে শাওন হাওলাদার এবং লোকাল কাউন্টারের আলী হোসেন পাইক সোর্স হিসেবে ওসিকে সহায়তা করতে রাজি হয়। সে কারণে তারা খদ্দের হিসেবে ওই মধুচক্রে যায় এবং তাদের দেয়া তথ্য অনুসারে পুলিশ গিয়ে আসর থেকে অবৈধ মধুচক্রের মূলহোতা ইয়াবা সুন্দরী নীলা ইসলাম, তার সহযোগী রফিক পাইক ও দু’জন সোর্স শাওন ও আলী হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে সোর্স শাওন ও আলী হোসেনকে পুলিশ ছেড়ে দেয়। বিষয়টি অনেকেই না জেনে সংবাদমাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেবার কথা বলছেন। আটককৃত নীলা ও রফিকের বিরুদ্ধে এসআই জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলা নং- ০১ (৩০-১১-১৮)। শনিবার সকালে নীলা ইসলাম ও রফিককে বরিশাল আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

উৎকোচের বিনিময়ে দু’জন ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, এলাকার যুবক-তরুণদের বখে যাওয়াসহ দুরারোগ্য রোগগ্রস্থ হওয়ার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য অবৈধ মধুচক্র ও মাদকের আস্তানা ভেঙে দেয়া হয়েছে। আর এ কাজে সহযোগিতা করার জন্য শাওন ও আলী হোসেনকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তাই কাজ শেষে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এখানে উৎকোচ বা অন্য কোন বিষয় জড়িত নয়। আমাদের ভাল কাজের প্রশংসা না করে সমালোচনা করলে আমরা কিভাবে এলাকাকে কলুষমুক্ত করবো?


দৈনিক প্রজন্ম ডট কম/জুনায়েদ

মন্তব্য

উপর