logo
Left-side-ad-projonmo.com
right float
শিরোনাম
app download

আদমদীঘিতে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে নেই হাসি!


আদমদীঘিতে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে নেই হাসি!

উত্তরাঞ্চরে শস্য ভান্ডার বলে খ্যাত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় এবার রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হলেও হাটবাজারে নতুন ধানের দাম কম হওয়ায় কৃষকের মুখে নেই হাসি। ফলে হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষককুল।

আদমদীঘি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়. উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৬ টি ইউনিয়ন মিলে এবার ১২ হাজার ৪শ’ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানচাষ করা হয়েছে। এসব জমিতে জিরাশাইল, বিআর-৪৯, বিনা-৭, সুমনা,স্বর্ণা, গুটি স্বর্ণা ও সুগন্ধি জাতের রোপা আমন চাষ করা হয়। এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা জানান, ২৯ শতকের প্রতিবিঘা জমিতে স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ১৮থেকে ২০মন, সুমন স্বর্ণা-২০ থেকে ২২মন পর্য়ন্ত ফলন হচ্ছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলায় ধান কাটা ও মাড়াই প্রায় শেষ। ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকরা মহা খুশি হলেও বর্তমান হাটবাজারে নতুন ধানের ধান কম হওয়ায় কৃষকের মুখে নেই হাসি। বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখাগেছে, আমন ধান মন প্রতি ৫৮০টাকা থেকে ৬শত টাকা দরে বেচাকেনা চলছে।

সান্তাহারে উথরাইল গ্রামের কৃষক শফির উদ্দিন,আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বর্তমান বাজারে নতুন ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তোলা যাচ্ছেনা। প্রতিবিঘা জমিতে রোপা আমন ধান পরিচর্যা, কাটা মাড়াইসহ উৎপাদন খরচ ছিল প্রায় ১০ থেকে ১২হাজার টাকা। বাজারে ধানের ধান তুলনামূলক কম থাকায় অনেক কৃষক ধানচাষের আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

উপজেলা কৃষি অফিসা জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ও ধানে পোকার আক্রমন কম থাকায় চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে সরকার ধান কেনা শুরু করলে ধানের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


দৈনিক প্রজন্ম ডট কম/জুনায়েদ

মন্তব্য

উপর