logo
শিরোনাম

পছন্দের পিএস পাচ্ছেন না মন্ত্রীরা, এপিএস এ বাঁধা নেই


পছন্দের পিএস পাচ্ছেন না মন্ত্রীরা, এপিএস এ বাঁধা নেই

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিজেদের পছন্দের পিএস না পেলেও এপিএস (সহকারী একান্ত সচিব) পাবেন পছন্দ মতো।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ দফতরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছাতে সময়ের প্রয়োজনে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের স্বার্থে যাচাই-বাছাই করে সৎ, যোগ্য এবং পরীক্ষিত কর্মকর্তাদের একান্ত সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, আগামীতে এই নতুন ব্যবস্থাটিই বহাল থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তবে আগের মতোই মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পছন্দ অনুযায়ী এপিএস নিয়োগ দেওয়া হবে।’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার নতুন মন্ত্রিসভার ৪৬ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পিএস নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে। এক্ষেত্রে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের কারও কোনো মতামত নেয়া হয়নি।

একই সঙ্গে এপিএসও সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী দেয়া হচ্ছে বলে গুঞ্জন ছিল। কারণ, এ সংক্রান্ত ফাইল প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনাধীন ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আগের মতোই এপিএস নিয়োগ দেয়ার পক্ষে মত দেন। সেই বিষয়টিই নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

পিএস পদে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে নিয়োগ দেওয়া হলেও এপিএস হিসেবে নিজেদের পছন্দে যে কাউকে নিয়োগ দিতে পারেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শুধু খেয়াল রাখতে হয়, এপিএস যিনি হচ্ছেন, তার যেন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার পদে আবেদন করার ন্যূনতম যোগ্যতা থাকে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছা অনুযায়ী এবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের মতামত ছাড়াই পিএস নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মূলত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের তদারকির অংশ হিসেবে অনেক ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পিএস হিসেবে উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়। এছাড়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পছন্দ মতো পিএস নিয়োগ দিতে পারতেন। তবে সে কর্মকর্তা প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদার নিচে হত না।

তবে সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা মন্ত্রিসভার সদস্যদের এপিএস হতে পারেন। কিন্তু এপিএস নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সম্পূর্ণ ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার সদস্যরা সাধারণত রাজনৈতিক বিবেচনায় এপিএস নিয়োগ দিয়ে থাকেন।

মন্তব্য

উপর