logo

পত্নীতলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রচারণায় সরব প্রার্থীরা উৎসাহ কম ভোটারদের


পত্নীতলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রচারণায় সরব প্রার্থীরা উৎসাহ কম ভোটারদের

আসছে ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রাচারণায় সরব প্রার্থীরা তবে ভোটারদের মাঝে তেমন উৎসাহ দেখা যাচ্ছে না।

এবার পত্নীতলা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চার জন প্রার্থী। এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা  করছেন দুই জন প্রার্থী। প্রার্থীরা হলেন- চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে আব্দুল গাফফার, ঘোড়া প্রতীকে কাজী মাহবুবুল আলম, কুলা প্রতীকে আব্দুর রউফ মান্নান, এবং আনারস প্রতীকে হুমায়ন কবির। এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে তালা প্রতীকে মিলটন উদ্দিন, টিউবয়েল প্রতীকে মো.আব্দুল আহাদ,টিয়া পাখি প্রতীকে মো.সাফেল মাহমুদ,চশমা প্রতীকে গৌতম দে, উড়ো জাহাজ প্রতীকে হাকিম উরাঁও এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাঁস প্রতীকে খাদিজাতুল কোবরা ও কলস প্রতীকে সাবিনা আক্তার।

সরেজমিনে ঘুরে ও বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সাথে কথা বলে যানা গেছে,আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রচারণা শুরুর পর থেকে আ.লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল গাফফার (নৌকা প্রতীক)ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুল আলম(ঘোড়া প্রতীক) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন,ওয়ার্ড এবং গ্রামে গ্রামে উঠান বৈঠক ও ভোটাদের দ¦ারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ করছেন। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ছেয়ে গেছে নৌকা ও ঘোড়া প্রতীকের পোষ্টার ফেষ্টুন। তবে চেয়ারম্যান পদে অপর দুই প্রার্থীর প্রচারণা নেই বললেই চলে। অপর দিকে কুলা ও আনারস প্রতীকে পোষ্টার চোখে পড়ছে কদাচিৎ।

ভোটাররা বলছে,আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মাঝে কোনো উৎসাহ নেই। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম জানলেও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নামও যানে না এলাকার বেশির ভাগ ভোটাররা।

গতকাল উপজেলার সদর নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় মানিক দেওয়ান ,সাহাজান সাজু,সোহাগ মন্ডল,মহসিন হোসেন ,সালাম হোসেনসহ আট-নয়জন ভোটারের সঙ্গে। তারা বলেন-এবার উপজেলা ভোটের আগ্রহ কেবল দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে দেখা যাচ্ছে। সাধারণ ভোটারদের মাঝে নেই উৎসাহ-উদ্দীপনা। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে অনেক ভোটারই ভোট কেন্দ্রে যাবেন না।

উপজেলা নির্বাচন অফিসসূত্রে যানা গেছে, এখানে মোট ভোটার ১ লাখ ৭৭ হাজার ২০৫ জন । এরমধ্যে নারী ভোটার ৮৮ হাজার ৫০৫ জন ও পুরুষ ভোটার ৮৮ হাজার ৭০০ জন ।


মন্তব্য

উপর