logo
Floating 2
Floating

ফেসবুক লাইভে ছাত্রলীগ নেত্রীর কান্না ভাইরাল (ভিডিও)


ফেসবুক লাইভে ছাত্রলীগ নেত্রীর কান্না ভাইরাল (ভিডিও)

লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নিবেদিত প্রাণ ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা রিপা যিনি নিজ উদ্যোগেই দলের সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন নিয়মিত। কিন্তু হঠাৎ করেই ফেসবুক লাইভে এসে কান্নাকাটি করেছেন ছাত্রলীগের এই কর্মী। এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সামালোচনর ঝড় বইছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে তা আর লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার মাঝে সীমাবদ্ধ নেই, ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো দেশে। সকলের প্রশ্ন কেন রিপাদের মত অন্তপ্রাণ নিবেদিত নেত্রীদের কাঁদতে হবে ফেসবুক লাইভে এসে, প্রশ্ন আওয়ামী লীগের শুভাকাঙ্খী ও সুধীজনদের।

গত শনিবার (৬ এপ্রিল) উপজেলা শিক্ষক সমিতির অনুষ্ঠান চলাকালীন ছাত্রলীগের এই নেত্রীকে স্টেজ থেকে জোর করে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদেন তিনি। রিপা আরও বলেন, আমি কাঁদতে চাইনি কিন্তু সব কিছুর একটা মাত্রা থাকা দরকার নয়তো আজ আমাকে কাল অন্যজনকে এভাবে সকলকে একদিন অপমান করা হবে। হয়তো বা আমার মত আরও বহু রিপা নিরবে নিবৃত্তে কাঁদবে। তা চাইনি বলে আমি ফেসবুক লাইভে এসে কেঁদেছি।

ফেসবুক লাইভে এসে ছাত্রলীগ নেত্রী ফাতেমা রিপা বলেন, ‘আমি ফাতেমা রিপা, একমাত্র নেত্রী যে কিনা উপজেলার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ দলীয় সকল কার্যক্রমে অংশ নিই। অথচ দলীয় সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কেন আমাকে এভাবে অপমানিত করা হবে। বার বার স্টেজ থেকে আমাকে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

আমি কাঁদতে চাই না তবু আমাকে বার কাঁদানো হচ্ছে অভিযোগ করে রিপা বলেন, ‘বসার জায়গা না দিক আমি প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে থাকবো। আমি ছাত্রলীগ করি আমার দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস আছে। কিন্তু অনুষ্ঠান চলাকালীন স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়ার মতো অপমান আর কোনো কিছুতে নাই।’

রিপা আরও বলেন, নির্বাচনের সময় সকালে বের হতাম-ফিরতাম সন্ধ্যায় প্রচার-প্রচারণা শেষ করে। খাওয়া-দাওয়ার দিকেও তাকাতাম না। উপজেলাতে কোনো প্রোগ্রাম হলেও আমার সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়। জেলা ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার কখনো করেনি কেউ। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদক তারা আমাকে বোনের মতো স্নেহ করেন। অথচ উপজেলা প্রোগ্রামগুলোতে আমাকে বার বার অপমান করা হয়।

এদিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল হাসান ফয়সাল মাল রিপার লাইভে বক্তব্য দেয়াকে নিছুক পাগলামী বলে অভিহিত করে বলেন, ‘এটা পাগলামী। কারণ এটা ছিল শিক্ষকদের প্রোগ্রাম। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অত্র আসনের এমপি মহোদয় ড. আনোয়ার হোসেন খাঁন শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও দলের সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি ছাড়া সবাইকে স্টেজ থেকে নেমে যেতে বলেন। আমরাও সবাই স্টেজ থেকে নেমে গেছি। কিন্তু ফাতেমা রিপা না নামায় ঘটনার সময় হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।’

লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জিয়াউল করীম নিশান বলেন, ‘আমি ফাতেমা রিপাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেছি। বিষয়টি নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। কেন এমনটা ঘটলো আমরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদকের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করে দেব।’

ছাত্রলীগ নেত্রী ফাতেমা রিপার কান্নার সেই ভিডিওটি


মন্তব্য

উপর