logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

সরাইলের কালিকচ্ছ বাজারে ৩০টি দোকান সিলগালা


সরাইলের কালিকচ্ছ বাজারে ৩০টি দোকান সিলগালা



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পরও বাজারগুলোতেমানছেনা সরকারিআদেশ। উপজেলারবিভিন্ন বিপণী বিতাণ গুলো খোলা রাখছে ব্যবসায়ীরা।বিপণী বিতাণ গুলোতে দোকানেএক দরজা (সাটার) খোলারেখে ব্যবসাচালিয়ে যাচ্ছে দোকানীরা।

সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ বাজারে ৩০টি দোকানসিলগালা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার  দুপুরেসরাইল উপজেলারকালিকচ্ছ বাজারেবিভিন্ন কাপড়েরদোকান, গার্মেন্টস, টেইলার্স, কসমেটিক, জুতা স্যান্ডেলের দোকান, সেলুনসহ অন্তত৩০টি দোকানসিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারিকমিশনার (ভূমি) ফারজানা প্রিয়াংকা। এসময়করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনাঅমান্য করেকাপড়ের দোকানখোলা রাখায় কালিকচ্ছবাজারের ৩ব্যবসায়ীকে ২২ হাজার টাকা জরিমানাকরা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফারজানাপ্রিয়াংকা বলেন , করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিরমধ্যে বাজারেকিছু কিছু যায়গায় দোকান খোলা রাখছে। দোকানিদেরমাইকিং করেজানানোর পরওতারা মানছেনা।তাই কালিকচ্ছবাজারের কিছুদোকান সিলগালাকরে সর্তককরা হয়েছে।

এতোগুলোদোকান সিলগালাকরায় কালিকচ্ছবাজারের ব্যবসায়ীদেরমাঝে ক্ষোভেরসৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, এভাবে দোকানসিলগালা করাউচিত হয়নি।দোকানগুলোতে লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল রয়েছে। দীর্ঘদিন দোকান বন্ধথাকলে ধূলাবালুতে ওইঁদুরের উপদ্রবেমালামাল নষ্টহয়ে যেতে পারে। এমনিতেই বন্ধের কারনে ব্যবসায়ীদেরক্ষতির সীমানেই। এরমধ্যেএসব মালামালনষ্ট হলেব্যবসায়ীদের পথে বসা ছাড়াউপায় থাকবেনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কালিকচ্ছ বাজারের একাধিকব্যবসায়ী বলেন, আনোয়ার হোসেননামে এককাপড় ব্যবসায়ীভয়ে দোকানফেলে ভবনেরপাঁচ তলায়গিয়ে লুকায়।সেখান থেকেতাকে টেনেহিঁচড়েনামিয়ে এনেপুলিশ প্রকাশ্যেলাঠি দিয়েপিটিয়েছে। এ দৃশ্য উপস্থিত ব্যবসায়ীদেরমনে চরমভাবেআঘাত করেছে।


মন্তব্য

উপর