logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

সরাইলের শাহবাজপুরে কোভিড-১৯আক্রান্ত রোগী সনাক্ত,৪বাড়ি লকডাউনে।


সরাইলের শাহবাজপুরে  কোভিড-১৯আক্রান্ত রোগী সনাক্ত,৪বাড়ি লকডাউনে।


 

সারাবিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত বাংলাদেশেও পিছিয়ে নেই এই মহামারীর প্রাদুর্ভাব। দিনে দিনে বেড়েই চলেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। তবুও যেন মানুষের ভিতর সচেতনতার ছিটেফোঁটাও নেই। মানুষ দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে হাটবাজার এবং শপিংমলে। সারাদেশে দোকানপাট ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলা হলেও প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়েই সরাইলে চলছে কেনাকাটা। প্রশাসনের লোকজন দেখলে সকল দোকানপাট বন্ধ দেখা যায়,  প্রশাসনের লোকজন   চলে এলেই আবার উপচে পড়া ভিড় জমাচ্ছে কাপড় ও অন্যান্য দোকানপাটে। মানুষ যেন বুঝতেই চাইছে না যে এইটা একটা মহামারী সকলের জন্য।                                                                   

শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নতুন করে এক জনের শরীরে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ধরা পরেছে। এর আগে সরাইল উপজেলার তেরোকান্দা গ্রামে একজনের শরীরে করোনার সংক্রমন ধরা পরে, তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে সরাইলে আসেন। তার শরীরে করোনা শনাক্ত হলে  তাকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। পরে তিনি সুস্থ হয়ে এখন বাড়িতে অবস্থান করছেন। এনিয়ে সরাইলে দ্বিতীয় ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।


শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রাজিব আহমেদ রাজ্জি বলেন , আমরা আক্রান্ত ব্যাক্তির বাড়ি সহ আরো ৩টি বাড়িকে লকডাউন করে দিয়েছি । তারা সকলে যেন অন্তত ১৪দিন ঘরে থাকে এটাই আমি তাদের বলবো।


সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ আনাস ইবনে মালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তি পার্শ্ববর্তী উপজেলার নাসিরনগরে একটি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। তার বাড়ি সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায়। তিনি শরীরে জ্বর অনুভব করলে ডাক্তার তার নমুনা সংগ্রহ করে  পরীক্ষার জন্য পাঠায়। শনিবার তার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।            

রোববার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ আনাস ইবনে মালেক এবং ল্যাব টেকনোলজিস্ট দেবাংকর শর্মা সহ একটি দল শাহবাজপুর এলাকায় গিয়ে  করোনার নমুনা সংগ্রহে নেমে পড়ে। এসময় শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এবং করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের সহ ৪১ জনের  নমুনা সংগ্রহ  করা হয়। তাদের এই কার্যক্রম চলে দুপুর অব্দি। এসময় তারা নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেয়, সেখান থেকে নমুনা গুলো পরীক্ষার জন্য  ঢাকায় প্রেরণ করা হবে বলে জানা যায়।

                                                                        

এবিষয়ে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নোমান মিয়া বলেন, আতংকিত হওয়ার কিছু নাই, সকলকে সচেতন হতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে আইসো লেশনে পাঠানো হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে যদি তেমন কোন উপসর্গ  না থাকে তাহলে সে নিজের বাড়িতেই আলাদা থাকতে পারে।                                                                                               

    

এসময়  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম মোসা আক্রান্ত ব্যক্তি এবং তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরিবারের লোকজন নির্বাহী কর্মকর্তাকে আস্বস্ত করেন তারা আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখবেন। এরপর আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি সহ আরো ৩টি বাড়ি লাল নিশানা টানিয়ে লকডাউন করে দিয়েছি।    

                


মন্তব্য

উপর