logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

রাতের বেলা বাড়ি ও দোকানে আগুন, বলা হচ্ছে ‘জিনের কাণ্ড’


রাতের বেলা বাড়ি ও দোকানে আগুন, বলা হচ্ছে ‘জিনের কাণ্ড’

রাতের বেলায় ঘুমাতে পারছেন না কেউ। কখন কার বাড়িতে আগুন লেগে যায় এই ভয়ে প্রতিটি রাত কাটছে এলাকাবাসীর। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর শংকরপাশা গ্রামে গত এক মাসে একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রাতের বেলা একের পর এক বাড়ি ও দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে, তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। 

গ্রামে পাহারা বসিয়েও দুষ্কৃতকারীদের ধরা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, এসব কর্মকাণ্ড জিনের মাধ্যমে হচ্ছে, এমনটি দাবি করে কৌশলে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে চাচ্ছে একটি মহল। পুলিশ বলছে, বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত এক মাসে শংকরপাশা গ্রামে দু’টি দোকানসহ ৬টি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় রাতের বেলা। যাদের দোকান ও ঘর পোড়ানো হয়েছে তারা হলেন, শাবু মুন্সীর ঘর, হাসান মুন্সীর দোকান,  লিটন মুন্সীর দোকান, আনোয়ার শেখের ঘর এবং  মনিরুজ্জামান শেখের ঘর।আনোয়ার শেখ জানান, তার বাড়িতে এক রাতেই তিনবার আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে এবং ভোর রাতের দিকে। কারা এবং কেন এসব ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তরা নিজেরাও তা বলতে পারছেন না। তাদের দাবি, তাদের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা নেই।  বর্তমানে এলাকাবাসীর রাত কাটছে শঙ্কার মধ্যে। এ অবস্থা থেকে বাঁচতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।

এলাকার বাসিন্দা ও রাতইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আঞ্জুরুল হাসান বলেন, ‘প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার জন্য জিনের কাণ্ড বলে চালানো হচ্ছে।  যারা এসব করছে তারা হয়তো অন্য কোনও বড় ধরনের অপরাধ করছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) হুসাইন মোহাম্মদ রায়হান জানান, ‘ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ দায়ের না করলেও আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে  স্বপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। দোষীরা যেই হোক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্তব্য

উপর