logo
Floating 2
Floating

ঝাঁপিয়ে পড়ে হামলাকারীর অস্ত্র কেড়ে নেন এক সাহসী তরুণ


ঝাঁপিয়ে পড়ে হামলাকারীর অস্ত্র কেড়ে নেন এক সাহসী তরুণ

নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে লিনউড মসজিদে হামলার পর এক তরুণের সহসিকতায় বেঁচে গেছে বহু মানুষের প্রাণ।সেই তরুণ কীভাবে হামলাকারীকে কাবু করে তার হাত থেকে অস্ত্র কেড়ে নিয়েছেন সেই গল্প নিউ জিল্যান্ড হেরাল্ডকে শুনিয়েছেন ওই মসজিদ থেকে বেঁচে ফেরা একজন।

শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের সময় ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদ এবং কাছের লিনউড মসজিদে হামলা চালায় দুই ব্যক্তি, যাদের হাতে ছিল অটোমেটিক রাইফেল।নির্বিচারে গুলিতে আল নূর মসজিদে ৪১ জন এবং লিনউডে ৭ জন নিহত হন। হাসপাতালে মারা যান আরও একজন।  

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, লিনউড মসজিদের খাদেম ওই তরুণ যদি হামলাকারীর বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়াতেন, তাহলে সেখানে নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারত।



হামলা থেকে বেঁচে  সৈয়দ মাজহারউদ্দিন নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডকে বলছিলেন সাহসী ওই তরুণের কথা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নায়কোচিতভাবে আরও অনেককে বাঁচিয়ে উঠে এসেছেন সংবাদ শিরোনামে।
মাজহারউদ্দিন বলেন, যখন হামলাকারী মসজিদে ঢোকে তখন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন নামাজ আদায় করছিলেন। আচমকা ঢুকেই তিনি গুলি চালানো শুরু করেন।

এসময় এক তরুণ লিনউড মসজিদের বন্দুকধারীর উপর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে তার বন্দুক ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হন। কিন্তু হামলাকারী দ্রুত পালিয়ে বাইরে থাকা গাড়িতে চড়ে পালিয়ে যান।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড বলছে, ওই তরুণ সাধারণত মসজিদ দেখাশোনা করতেন। হামলাকারীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বন্দুক কেড়ে নিতে সক্ষম হলেও ট্রিগার খুঁজে না পাওয়ায় পাল্টা হামলাকারীকে থামাতে পারেননি তিনি।

সৈয়দ মাজহারউদ্দিন হেরাল্ডকে বলেন, লিনউড মসজিদে যখন হামলা চালানো হয় তখন মুসল্লিরা প্রার্থনায় ব্যস্ত ছিলেন। আমার এক বন্ধু এতে মারা গেছে। আমি তাকে বাঁচাতে পারিনি।

আল নূর মসজিদেও একজন হামলাকারীর বন্দুক কেড়ে নিতে গিয়েছিলেন বলে জানান এক প্রত্যক্ষদর্শী। তবে ওই ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গেই গুলি খেয়ে মরতে হয়।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৩০ মিনিটে ক্রাইস্টচার্চে হ্যাগলি ওভাল মাঠের খুব কাছে অবস্থিত ডিনস অ্যাভ মসজিদ ও লিনউড মসজিদে এবং আরেকটি স্থানে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এতে অন্তত ৪৯ জন নিহত হন। এদের মধ্যে তিন বাংলাদেশিও রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৪৯ জন। এদের মধ্যেও একাধিক বাংলাদেশি আছেন। তবে বর্বরোচিত হামলা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যান দেশটিতে সফররত বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।

দৈনিক প্রজন্ম ডটকম /  জা.আ

মন্তব্য

উপর