logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

ভবিষ্যতে উন্নয়নে ভারতকে ছাড়িয়ে  যাবে বাংলাদেশ


ভবিষ্যতে উন্নয়নে ভারতকে ছাড়িয়ে  যাবে বাংলাদেশ

বিভাগীয় কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন চেীধুরী বলেছেন,দেশ এখন অনেক এগিয়ে গেছে। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ এখন অনেক উন্নত।  ভবিষ্যতে উন্নয়নে ভারতকে ছাড়িয়ে  যাবে বাংলাদেশ। সমীক্ষায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। আমার গ্রাম হবে শহর। এজন্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে শহরমানের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। নগর কেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে মানুষ। কারন নগরে সব ধরণের সেবা পাওয়া যায়। প্রান্তিক এলাকায় এসব সেবা পেলে নগর কেন্দ্রিক হবে না কেউ। সরকার এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে। সিভিল সোসাইটিকে এ নিয়ে কাজ করতে হবে। তবেই প্রধানমন্ত্রীর গ্রাম হবে শহর। তিনি আরও বলেন, সুনামগঞ্জে সকল হাওররক্ষা বাঁধে কম্পপেকশন হয়না। আগামীতে এটি নিশ্চিত না করলে বিপত্তি ঘটবে। সদর উপজেলাসহ সারা জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অপ্রতুল। সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করলে লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়াতে হবে। এনিয়ে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে প্রস্তাবনা তুলে ধরব।  গতকাল বুধবার সকালে  সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীক সমিতির প্রতিনিধিবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার রুমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শফিউল আলম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীন, সাবেক অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল হোসেন, চেম্বার অব কমার্সের সহ সভাপতি আমিনুল হক, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, মুক্তিযোদ্ধা মালেক হোসেন পীর, ক্যাব সভাপতি এখলাছুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: সমিত্র চক্রবর্তী, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সীমা রানী বিশ্বাস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অশোক রঞ্জন পুরকায়স্থ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী নুরে মোহাম্মদ সরকার, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুর রউফ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানিক মিয়া, মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক, রিপোর্টার ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু প্রমুখ। বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে সকলে মিলেমিশে চেষ্টা করতে হবে। সবার আগে নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের এ নিয়ে ভাবতে হবে। অর্থনীতি ছাড়া সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটাতে হবে। দেশে সামাজিক ব্যাধি নামে একটি সমস্যা আছে, যা অল্পতে সমাজ ক্ষতি হতে পারে। এদের প্রতিরোধ করতে শুধু সরকারি ভাবে নয়, সামাজিক ভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত। তবেই প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ হবে। সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের পক্ষ থেকে উঠে আসা বিভিন্ন প্রস্তাবনার জবাবে তিনি বলেন, সরকারি বরাদ্দের প্রথম ও ২য় কিস্তির বরাদ্দ যেন হাওরাঞ্চলের সাথে সংগতি রেখে হয় এটি নিয়ে আমরা ভাববো। বৈশাখ মাসে গুদামে ধান সংগ্রহ অভিযান পরিচালনা করা যায় কিনা সেটি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে। ইউপি চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের বাসস্থান নেই, গাড়ী নেই। আমি যখন ইউএনও ছিলাম তখন আমারও গাড়ী ছিল না। লোকাল গভর্ণমেন্ট শক্তিশালী নয় বলে এমন হচ্ছে। সারা পৃথিবীতে লোকাল গভর্ণমেন্ট অনেক শক্তিশালী। আমিও চাই লোকাল গভর্ণমেন্টের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা এসব সুবিধা ভোগ করা উচিত।

মন্তব্য

উপর