logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

পেট্রোল পাম্পে অভিনব পদ্ধতিতে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা


পেট্রোল পাম্পে অভিনব পদ্ধতিতে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা
ঢাকার সাভারের আশুলিয়া থানাধীন নবীনগরে পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে অভিনব পদ্ধতিতে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ এসেছে। বুধবার (১৫ মে) একজন শিক্ষক তার মটরবাইকের জন্য পেট্রোল ভরতে গিয়ে এধরণের প্রতারণার শিকার হয়ে বিষয়টি গণমাধ্যমের নিকট তুলে ধরেন।

মোঃ সোহান নামের এই শিক্ষকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন আশুলিয়ার নবীনগরে 'মেসার্স নবীনগর ফিলিং স্টেশনে' গিয়ে এই প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ে। এখানে যে কাউন্টার থেকে ভোক্তাদেরকে পেট্রোল দেয়া হয়, সেই কাউন্টারের মেশিন নষ্ট। সেখানে ডিজিটাল অক্ষরগুলি অস্পষ্ট, শুধু শব্দ হয়; কিন্তু তেল সেই পরিমানে বের হয় না।

এব্যাপারে মোঃ সোহান জানান, গতকাল (বুধবার) আমি নবীনগর ফিলিং স্টেশনে গিয়ে ২ শত টাকার পেট্রোল ভরার জন্য বলি। কাউন্টারম্যান আমাকে তেল দিলে আমার কাছে কেমন সন্দেহ হয়। আমি ওদের পাম্পের ডিজিটাল মেশিনটির কাছে গিয়ে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করি। তখন দেখতে পাই ওখানের ডিসপ্লেতে যে সংখ্যা দেখায় সেটা সঠিক না। আমাকে সর্বোচ্চ ১শত টাকার পেট্রোল আমার বাইকের ট্যাংক এ দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এসময় আমি আমার ক্রয়কৃত পেট্রোলের রশিদ চাইলে কাউন্টারম্যান না দেবার জন্য বিভিন্ন তালবাহানা করে এবং একপর্যায়ে ১৭২ টাকার রশিদ প্রদান করে। আমি এর কারণ জানতে চাইলে সে আমার পা জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চায় এবং বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য বলে। 

এব্যাপারে নবীনগর ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক কামাল এর সাথে কথা বললে তিনি ফিলিং স্টেশনে সরাসরি এসে আলাপ করার কথা বলেন। তখন ভুক্তভোগীকে সাথে নিয়ে এই প্রতিবেদক নবীনগর ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপকের নিকট গিয়ে কাউন্টারম্যান এর কৃত অপরাধের বিষয়টি তুলে ধরেন। এসময় ব্যবস্থাপক কামাল এভাবে ভোক্তাদের পেট্রোল কম দেবার বিষয়ে পাম্প মালিক ও তিনি জড়িত নন বলে জানান। আর এরকম চুরি হলেও সেটা তাদের অগোচরে হচ্ছে বলে বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

মন্তব্য

উপর