logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

ভিজিডি’র সঞ্চয়ের টাকা না পেয়ে ইউএনও অফিস ঘেরা


ভিজিডি’র সঞ্চয়ের টাকা না পেয়ে ইউএনও অফিস ঘেরা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ভিজিডি কার্ডের দুই শতাধিক নারী দুই বছর ধরে খেয়ে না খেয়ে মাসিক দুইশত টাকা হারে তিল তিল করে সঞ্চয় রেখেছেন চার হাজার আটশত টাকা। লাভসহ ওই টাকার পরিমান দাড়িয়েছে চার হাজার নয়শত এগার টাকা।


কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস অতিবাহিত হলেও অফিসের বারান্দায় বার বার ধর্না দিয়েও সঞ্চয়ের টাকা পায়নি।


সঞ্চয়ের টাকা উত্তোলনের জন্য রবিবার দুপুর ১২ টায় দিকে উপজেলা নিবার্হী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরা ও বিক্ষোভ করেন ভিজিডি’র কার্ডধারী দুই শতাধিক হতদরিদ্র নারী।
পরে ইউএনও দ্রæততম সময়ের মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দেয়া ব্যবস্থা গ্রহনের প্রতিশ্রæতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।


জানা গেছে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় বাংলাদেশ সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট একাডেমী (বিএসডিএ) ও ডেভেলপমেন্ট পার্টনার (ডিপি) নামের দুইটি এনজিও’র বাস্তবায়নে ১লা জানুয়ারী ২০১৭ইং ফুলবাড়ী উপজেলায় দুই বছর মেয়াদী ভিজিডি প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৫৭৯৯ জন  হতদরিদ্র নারীকে জনপ্রতি ৩০ কেজি চাউল প্রদানের বিপরীতে পাস বইয়ের মাধ্যমে মাসিক ২০০ টাকা সঞ্চয় জমা নেয়া হয় । সোনালী ব্যাংক ফুলবাড়ী শাখার ০১০২৭৬৫০ ও ৩৪১৩৮৫১৯ নম্বর হিসাবে ২ কোটি ৬৫ লাখ ৫৮ হাজার ৩২০ টাকা জমা হয় দুই বছরে।
কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ শেষে স্ঞ্চয়ের টাকা হাতে হাতে বিতরণ করলে ছিনতাই হতে পারে এমন অজুহাতে সোনালী ব্যাংক ফুলবাড়ী শাখা থেকে ওই টাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংক কুড়িগ্রাম শাখায় স্থানান্তর করা হয়।
উপজেলার নাগদাহ গ্রামের রহিমা বেগম (৩৭),তালুক শিমুলবাড়ী গ্রামের মজিয়া বেগম (৩৮) ও নাওডাঙ্গা গ্রামের ছপিয়া বেগম (৩৭) বলেন, তাদের প্রত্যেকের ৪ হাজার ৯১১ টাকা করে জমা থাকলেও দিনের পর দিন অফিসে ঘুরেও তারা টাকা পাননি।
পানিমাছকুটি গ্রামের হাসুমনি বেগম (৩৬) জানান, তার ৪ হাজার ৯১১ টাকা জমা থাকলেও তিনি মাত্র ৪ হাজার ৩০০ টাকা পেয়েছেন।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অতিঃ দাঃ) জয়ন্তী রানীর মোবাইলে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মাছুমা আরেফিন জানান, টাকা স্থানান্তরের ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন তাই জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে দ্রæততম সময়ের মধ্যে দুই শতাধিক দরিদ্র নারীর সঞ্চয়ের টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য

উপর