logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

নার্সকে ধর্ষণ শেষে হত্যার পর এবার 'স্বর্ণলতা পরিবহন' নাম পাল্টিয়ে কাটিয়াদী এক্সপ্রেস


নার্সকে ধর্ষণ শেষে হত্যার পর এবার 'স্বর্ণলতা পরিবহন' নাম পাল্টিয়ে কাটিয়াদী এক্সপ্রেস

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে চলন্ত বাসের ভেতরে এক নার্সকে ধর্ষণ শেষে হত্যার পর এবার কিশোরগঞ্জ-ভৈরব-ঢাকা রুটে চলাচল করা সেই স্বর্ণলতা পরিবহন বাসের নাম পাল্টিয়ে কাটিয়াদী এক্সপ্রেস করার কাজ চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।


স্বর্ণলতা পরিবহন নাম পাল্টিয়ে কাটিয়াদী এক্সপ্রেস করার কাজটি গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার তারগাঁও এলাকায় ছলছে বলে একাধিক নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।


নিউজ পোর্টালগুলোর দাবি, চলন্ত গাড়ীতে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসগুলোর রং পরিবর্তন করে কটিয়াদী এক্সপ্রেস নাম দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও এলাকার রূপনগর পালকি কমিউনিটি সেন্টারের পাশের একটি গ্যারেজে গত দুই সপ্তাহ ধরেই গাড়ির রং পাল্টানোর কাজ চলছে।

উল্লেখ, গত ৬ মে সোমবার রাত ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব সড়কে গজারিয়া বিলপাড় নামক এলাকায় স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে একজন নার্সকে ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনা ঘটে। এর পর থেকেই স্বর্ণলতা পরিবহনের গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


নিহত ধর্ষিতার নাম শাহিনুর আক্তার তানিয়া (২৩)। সে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে। তানিয়া ঢাকায় ইবনে সিনা হাসপাতালে নার্স  হিসেবে কর্মরত ছিলেন।


এই ঘটনার পর স্বর্ণলতা বাসের চালক কাপাসিয়ার নূরুজ্জামান (৩৯) ও হেলপার লালন মিয়াকে (৩৩) পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। আর এদিকে স্বর্ণলতা পরিবহনের রঙ বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে কাটিয়াদী এক্সপ্রেস।


এ ব্যাপারে কাপাসিয়ার তরগাঁও এলাকার লোকজন স্থানীয় সাংবাদিকের জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরেই স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসগুলোর রং পাল্টানো কাজ চলছে আর গাড়িগুলোতে নতুন করে কটিয়াদী এক্সপ্রেস নাম লেখা হচ্ছে।


গ্যারেজ মালিক আব্দুল কাইয়ুম স্থানীয় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, প্রায় ১০ দিন আগে স্বর্ণলতা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ পাভেল তাকে গাড়ির রং ও নাম পাল্টানোর কাজ দিয়েছে।
পরিচালক মোঃ পাভেল বলেন, গাড়ীতে ধর্ষণের ঘটনার পর সরকার আমাদের বাস রাস্তায় নামানো বন্ধ করে দেয়। পরে আমরা কটিয়াদী পরিবহনের সঙ্গে কথা বলে গাড়িগুলো রাস্তায় নামাতে চেয়েছিলাম কিন্তু কটিয়াদী পরিবহন কর্তৃপক্ষ রাজী না হওয়ায় গাড়িগুলো অলস ফেলে রেখেছি।

মন্তব্য

উপর