logo
Floating 2
Floating

কুড়িগ্রামে শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ১০: ক্লোজ ৫ পুলিশ সদস্য


কুড়িগ্রামে শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ১০: ক্লোজ ৫ পুলিশ সদস্য

মো: জুয়েল রানা, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ কর্তৃক ছাত্রলীগ ও মটর শ্রমিক লীগের ২ নেতা লাঞ্চিতের ঘটনায় শ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশের লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপে দশ জনের অধিক পথচারী ও শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছে। আর এঘটনায় দাঙ্গা পুলিশের ৫ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে জানাগেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শ্রমিকরা জানান, রোববার সন্ধ্যায়  ভূরুঙ্গামারী থানার পুলিশ জয়মনির হাট হতে  আসমী নিয়ে এএসআই আমিনুল ইসলাম থানায় আসার পথে বাস ষ্ট্যান্ডের ঝর্ণামার্কেটের  সামনে জ্যামে পড়ে। এসময় পুলিশ সাইড চাইলে জ্যামে আটকা পড়ারা অপরাগতা প্রকাশ করলে পুলিশের এ এস আই আমিনুল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে ভ্যানের সামনে মটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সদর ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সহসভাপতি আবিদ আহম্মেদকে কিল ঘুষি মারে। এসময় উপস্থিত জনতা এর তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং পুলিশকে ঘিরে ফেলে। এসময় মটর শ্রমিক লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান এগিয়ে এলে  তাকেও লাঞ্চিত করে পুলিশ। এঘটনায় পুলিশের সাথে উত্তেজিত জনতা ও শ্রমিকের সংঘর্ষ বাঁধে।
এদিকে পুলিশ সদস্যের আক্রান্ত হওয়ার খরব থানায় পৌছলে ১৫/১৬ জনের পুলিশ টিম থানাগেট থেকে এলোপাথারী লাঠিচার্জ ও ১০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়তে ছুড়তে ঘটনা স্থলে পৌছে। এতে শত শত পথচারী, বাসের যাত্রীসহ শ্রমিক লাঠিচার্জের শিকার হয়। এদিকে পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটের আঘাতে ১০জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহতরা হলেন- আব্দুল কাদের (২৫), জাবেদ আলী (৬০), হানিফ (৩২),বাবু (২৮), সুকান্ত (২১) , মানিক(৩০), মুকুল (৩০), আব্দুর রহমান (৫৫), সবুজ (২৬) ও রফিকুল ইসলাম।ওসমান গণি নামে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন। এদের মধ্যে ভূরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ৯ জন রয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা এ,এস,এম সায়েম।


ঘটনার পরপরই  শ্রমিকরা ঢাকাসহ স্থানীয় রুটের সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ করে দিলে রাত ৮টার দিকে ভুরুঙ্গামারী থানার ওসি ইমতিয়াজ কবিরের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের মধ্যস্থায় অবরোধ তুলে নেয় শ্রমিকরা। এসময় ঘটনার সাথে জড়িত ১২ জন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করার আশ্বাস দিলে সমঝোতা হয় বলে জানিয়েছে মটর শ্রমিক নেতা মিজানুর রহমান মিজান।


এব্যাপারে ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির জানান,ভুলবোঝাবুঝির কারনে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো পরে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। তিনি জানান, এঘটনায় জড়িত দাঙ্গা পুলিশের ৫ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে। বাকীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে অপরাধ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য

উপর