logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

সাতক্ষীরায় বিপুল পরিমাণ সরকারি বই বিক্রি করলেন শিক্ষা অফিসার আকরাম হোসেন


সাতক্ষীরায় বিপুল পরিমাণ সরকারি বই বিক্রি করলেন শিক্ষা অফিসার আকরাম হোসেন

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি বই জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে মৌতলা বাজারে স্থানীয়রা এ বইগুলো জব্দ করেন।
স্থানীয়রা জানান, পার্শ্ববর্তী শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের শামীম হোসেন নামের এক ব্যক্তি ৩ হাজার চারশ কেজি বই বিক্রি করতে যান ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ কুমারের দোকানে। এ সময় জনতা তাকে ধরে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। তবে বই বিক্রির বিষয়ে শামীম হোসেন বলেন, তিনি বইগুলো শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আকরাম হোসেনের কাছ থেকে কিনেছেন।
এ বিষষয়ে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বলেন, স্থানীয় জনতা বইসহ শামীমকে ধরে পরিষদে নিয়ে এলে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর পর বইগুলো পরিষদের হেফাজতে রাখতে বলেছেন তিনি।
এদিকে শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আকরাম হোসেন বলেন, রেজুলেশন করে বইগুলো বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। তবে ভুলক্রমে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের বইগুলোও চলে গেছে। বইগুলো চেয়ারম্যানের হেফাজতে রাখতে বলা হয়েছে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য।
এবিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহীন বলেন, শিক্ষা অফিস থেকে নাকি রেজুলেশন করে ২০১৭ সালের বই বিক্রয় করা হয়েছে। কিন্তু মৌতলায় স্থানীয়রা বইগুলো জব্দ করে দেখেন ওই বইয়ের মধ্যে অনেকগুলো ২০১৮-২০১৯ সালের বইও রয়েছে। বিষয়টি আমাকে জানানোর পর আমি শিক্ষা অফিসারকে বলেছি যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বলে কিভাবে ২০১৮-২০১৯ সালের বই আসলো বা কারা দিলো সে বিষয়টির সমাধান করা হবে। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি বই জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে মৌতলা বাজারে স্থানীয়রা এ বইগুলো জব্দ করেন। স্থানীয়রা জানান, পার্শ্ববর্তী শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের শামীম হোসেন নামের এক ব্যক্তি ৩ হাজার চারশ কেজি বই বিক্রি করতে যান ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ কুমারের দোকানে। এ সময় জনতা তাকে ধরে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়।
তবে বই বিক্রির বিষয়ে শামীম হোসেন বলেন, তিনি বইগুলো শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আকরাম হোসেনের কাছ থেকে কিনেছেন।
এ বিষষয়ে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বলেন, স্থানীয় জনতা বইসহ শামীমকে ধরে পরিষদে নিয়ে এলে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর পর বইগুলো পরিষদের হেফাজতে রাখতে বলেছেন তিনি।
এদিকে শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আকরাম হোসেন বলেন, রেজুলেশন করে বইগুলো বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। তবে ভুলক্রমে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের বইগুলোও চলে গেছে। বইগুলো চেয়ারম্যানের হেফাজতে রাখতে বলা হয়েছে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
এবিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহীন বলেন, শিক্ষা অফিস থেকে নাকি রেজুলেশন করে ২০১৭ সালের বই বিক্রয় করা হয়েছে। কিন্তু মৌতলায় স্থানীয়রা বইগুলো জব্দ করে দেখেন ওই বইয়ের মধ্যে অনেকগুলো ২০১৮-২০১৯ সালের বইও রয়েছে। বিষয়টি আমাকে জানানোর পর আমি শিক্ষা অফিসারকে বলেছি যারা একাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বলে কিভাবে ২০১৮-২০১৯ সালের বই আসলো বা কারা দিলো সে বিষয়টির সমাধান করা হবে।

মন্তব্য

উপর