logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

সর্বোচ্চ ত্যাগী নেতা শেখ ফজলুর রহমান মারুফ হতে যাচ্ছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান!


সর্বোচ্চ ত্যাগী নেতা শেখ ফজলুর রহমান মারুফ হতে যাচ্ছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান!

দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৩ নভেম্বর। ইতিমধ্যেই ওই সম্মেলনে যুবলীগের চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনায় শুরু হয়েছে। কে কে আসছেন নতুন নেতৃত্বে, এরই মধ্যে কয়েক জনের নামও শোনা যাচ্ছে।

যুবলীগের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেছেন যে, চলমান শুদ্ধি অভিযানে লণ্ডভণ্ড এ সংগঠনের ভাবমূর্তি ফেরাতে শিগগিরই সম্মেলন করে নতুন মুখ আনার পরিকল্পনা করছে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। যুবলীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে বেশ কয়েকজন পদ প্রত্যাশী রয়েছেন। যাদের নাম অনেক আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিলো।

ফলে সংগঠনের জন্য যারা ত্যাগী ও পরিশ্রমী তারাই আসবে যুবলীগের নেতৃত্বে। সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ পথে যারা অপকর্ম, দুর্নীতি থেকে দূরে থেকেছে অর্থাৎ ‘ক্লিন ইমেজের ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য দরদী তারাই আসবে যুবলীগের নেতৃত্বে।

সূত্র জানায়, যুবলীগের চেয়ারম্যান কে হবেন এটি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঠিক করে দেবেন। তবে, যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুর রহমান মারুফ দলের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগী শিকার করে তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

শেখ ফজলুর রহমান মারুফ যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বর্তমান আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের আপন ছোট ভাই।

তিনি ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পরে আওয়ামী লীগ দলকে সুসংগঠিত করেন। আওয়ামী লীগের দূর সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বিদেশ থেকে ফিরিয়ে এনে, আওয়মী লীগের সভানেত্রী বানানো সহ দলীয় প্রতিটি কর্মকান্ডে পর্দার অন্তরালে থেকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে গেছেন।

এ হিসেবে মাননীয় প্রধানমমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী যদি ত্যাগীদের নির্বাচন করা হয় তাহলে, শেখ ফজলুর রহমান মারুফই হচ্ছেন সর্বোচ্চ ত্যাগীদের ত্যাগী।

এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশারের নাম আলোচনায় রয়েছে। তিনি জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি ‘বায়রা’র সাবেক সভাপতি। তিনি গত জাতীয় নির্বাচনে ফেনীর সোনাগাজী থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। পরে জোটের শরিক জাতীয় পার্টিকে ওই আসনটি ছেড়ে দেন।উল্লেখ্য, যুবলীগের মধ্যে চলমান ‘শুদ্ধি অভিযানের’ মধ্যেই গত ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে এক অনির্ধারিত বৈঠকে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা জাতীয় সম্মেলনের আগেই দলের অন্য তিন সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সঙ্গে যুবলীগের সম্মেলনও করার নির্দেশনা দেন। সর্বশেষ ২০১২ সালের ১৪ জুলাই যুবলীগের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল হয়। ওই কাউন্সিলে সংগঠনের চেয়ারম্যান হন ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হন হারুন-অর-রশিদ।

মন্তব্য

উপর