logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

নরসিংদী মনোহরদীতে কাচিকাটা ইউনিয়ন গভীর নলকূপ বাসানো নিয়ে দূর্নীতি ও অনিয়ম


নরসিংদী মনোহরদীতে কাচিকাটা ইউনিয়ন গভীর নলকূপ বাসানো নিয়ে দূর্নীতি ও অনিয়ম

নরসিংদী মনোহরদী উপজেলা কাচিকাটা ইউনিয়ন। বিশুদ্ধ পানির জন্য বাংলাদেশ রুরাল ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন প্রকল্পের অধীনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গভীর নলকূপ বসানোর কাজ হাতে নিয়েছিল।

তবে সরকারি এ প্রকল্পের কাজের টাকা লুটপাটসহ নানা অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। নলকূপ না বসিয়ে গ্রাহক তৈরি, জামানতের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলন, নলকূপের প্লাটফর্ম তৈরি না করাসহ বিভিন্ন খাতের কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে উপজেলায় বহু গভীর নলকূপ (ডিপ টিউবওয়েল) ও ল্যাট্রিন স্থাপনের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ রুরাল ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন  প্রকল্পের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মনোহরদী উপসহকারী প্রকৌশলীর অধীনে এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।

প্রতিটি গভীর নলকূপ স্থাপন ও প্লাটফর্ম তৈরিতে গ্রাহকের কাছে থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও গ্রাহকপ্রতি ৭ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়া নলকূপ স্থাপন করে দু-একটিতে প্লাটফর্ম করে বাকীগুলো তৈরির কাজ এখনো শেষ হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, প্লাটফর্ম না করেই তার বিল উত্তোলন করে নিয়েছেন অফিসের সাবেক ও বর্তমান কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সরেজমিনে মনোহরদী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, কিছু নলকূপ অযতেœ ময়লা আবর্জনার মধ্যে পড়ে রয়েছে। আবার কোনো কোনো নলকূপের মালিকেরা নিজস্ব অর্থায়নে প্লাটফর্ম তৈরি করেছেন। এসব নলকূপের কোনো কোনটাতে আবার পানিও উঠে না। মরিচিকা পড়ে রয়েছে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের উপ-প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা, সংবাদ কর্মী রুদ্রকে জানায়, সকল অফিসেই বেশ-কম দূর্নীতি হয় কেউ ধোয়া তুলশি পাতা নয়। তাই আমাদের অফিসেও সামান্য দূর্নীতি হয়েছে। এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

উপর