logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

দৈনিক প্রজন্ম’র নরসিংদী প্রতিনিধির কাছে ক্ষমা চেয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ২ প্রতারক


দৈনিক প্রজন্ম’র নরসিংদী প্রতিনিধির কাছে ক্ষমা চেয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ২ প্রতারক

নরসিংদীতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় দুই প্রতারক মোঃ হৃদয় খান, সম্পাদক, নিউজ সময়, নিউজ, শফিকুল ইসলাম মতি, প্রকাশ, নিউজ সময়, অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে বিগত সময়ে বিভিন্ন মিথ্যা ও ভূয়া তথ্য দিয়া দৈনিক প্রজন্ম ডটকম এর জেলা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম রুদ্র’র বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করিলে রুদ্র উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, নরসিংদীতে একটি মামলা দায়ের করে। যাহার নং- নরসিংদী সি.আর মামলা নং- ৩৪৩/২০১৯ইং, ধারা ঃ ২০১৮ সনের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫। উক্ত মামলাটি দায়ের পর প্রতারক দ্বয় জানতে পারিয়া মামলার বাদী রুদ্রের সহিত আপোষ মিমাংসা করার আকুল মিনতি করেন।


সাইফুল ইসলাম রুদ্র জানান, দুই প্রতারক কে গফুর হাজী মার্কেটের ভিতরে ডেকে এনে এডভোকেট বদরুল আলমের অফিসে বসে স্থানীয় ভাবে আপোষ মিমাংসা হয়। বাদী নিকট ক্ষমা চাওয়াই ও লিখিত আকারে আপোষ মিমাংসা করিয়া দেয়। 

ঘটনার কিছু দিন পর প্রতারক সফিকুল ইসলাম মতি রুদ্রকে একটি প্রস্তাব দেয় যে, মুহুরী সমিতির সদস্য হওয়ার জন্য ও আমরা ভবিষ্যতে মিলে মিশে এক সাথে চলব। কিন্তু এ বিষয়ে রুদ্র কোন কথা না বলায় এক কপি ছবি ও ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি দেন। উক্ত ছবি ও আইডি কার্ড নেওয়ার এক দিন কোর্ট সংলগ্ন জেলা প্রশাসক অফিসের সামনে কাঠ বাগানে ৩ হাজার টাকা দিতে অনুরোধ করেন। রুদ্র তাৎক্ষনিক মতিকে ৩ হাজার টাকা প্রদান করেন রুদ্র কে সমিতির একটি বেইজ প্রদান করেন। বেইজ প্রদান করার ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই জানা যায় যে, সে তাহার ছেলে কে দিয়ে একটি ভূয়া সার্টিফিকেট তৈরী করে মতি নিজেই মুহুরী সমিতির ফরমে স্বাক্ষর করে রুদ্রর নিকট ফাইলটি প্রদান করে। 

উক্ত বিষয়ে মুহুরী সমিতির সভাপতির নিকট এটি দেওয়ার জন্য বলেন। কিন্তু মতি রুদ্রকে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের নিকট অবগত করেন যে, রুদ্র ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে মুহুরী সমিতির সদস্য হওয়ার আসবে। এ বিষয়ে পূর্বেই মতি মুহুরী সমিতিতে অভিযোগ দায়ের করে ফাঁসাইয়া দিতে ব্যবস্থা করে। 

বিষয়টি আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাহেবে উভয়ে পক্ষকে সমঝোতায় থাকার সর্তক করেন।


এ বিষয়ে রুদ্র বলেন, নিউজ সময়ের সম্পাদক হলো সফিকুল ইসলাম মতি, সে বিগত সময়ের অষ্টম শ্রেণী পাস। তাহলে সে সম্পাদক কিভাবে হলো?


এ ধরণের প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া বিশেষ জরুরী বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষ্যজ্ঞরা।

মন্তব্য

উপর