logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

ধামইরহাটে গুজবে পড়ে লবণের দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়


ধামইরহাটে গুজবে পড়ে  লবণের দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়

নওগাঁর ধামইরহাটে হটাৎ গুজব ওঠায় লবণের দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড় দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকে উপজেলার সর্বত্র লবণ সংকট এবং দাম বৃদ্ধি পাবে এই মর্মে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তথ্যটি সঠিক কিনা তা না জেনে মানুষ মুঠোফোনসহ বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জনের কাছে বার্তা পাঠায়। দুপুর ২টার পর থেকে মানুষ দল বেঁধে পাইকারী ও খুচরা লবণের দোকানের ভীড় জমায়। যার সারা মাসের জন্য প্রয়োজন ১ কেজি সে গুজবে পড়ে কিনেছে ৩-৪ কেজি। বেলা বাড়ার সাথে সাথে গ্রাম থেকে মানুষ ছুটে আসে লবণ কেনার জন্য। ধামইরহাট পূর্ব বাজারে পাইকারী ব্যবসায়ী সামু স্টোরের স্বত্বাধিকারী সামু সাহা বলেন, দুপুর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তিনি ৫০কেজি ওজনের প্রায় ৭০ বস্তা লবণ বিক্রয় করেছেন। টু ব্রাদার্স এর মালিক রেজাউল করিম বলেন,খোল লবণ ২০টাকা কেজি দরে ৫ বস্তা বিক্রি করেছেন। কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম ৪০ বস্তা লবণ মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে বিক্রি করেন। পাবনা স্টোরের মালিক আসাদুল্লাহ ১১ বস্তা,মাশরুফা স্টোর ১০ বস্তা লবণ বিক্রি করেছেন। প্রতি কেজি খোলা লবণ ১২ টাকা থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত কেনাবেচা হয়েছে। চিকন প্যাকেট লবণ ৩৫ টাকা এবং প্যাকেটের মোটা লবণ ৩০ টাকা কেনাবেচা হয়েছে। ধামইরহাট পূর্ব বাজারের মাহবুব আলম বাবু হাজী তার ১ মাসের জন্য  ৩কেজি লবণ দরকার হলেও তিনি  ৫কেজি ক্রয় করেছেন। এদিকে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত দাম বাড়িয়ে লবণ বিক্রি করেছেন। প্রতি বস্তা লবণ ৪৮০ টাকা থেকে এক লাফে ৯শত টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে দেখা গেছে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গনপতি রায় বলেন,দেশে লবণের কোন ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত লবণ মুজুদ রয়েছে। তারপরও একটি মহল গুজব রটিয়ে মানুষজনকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলতে চায়। এ গুজব কান না দেয়ার জন্য তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানান। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন পুলিশকে নিয়ে বিভিন্ন দোকানপাট পরিদর্শন করেছি। কেউ বেশি দামে লবণ বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য

উপর