logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

ক্যাসিনো সম্রাটের মানিম্যান দুর্নীতিবাজ বায়জিদ খানের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান হবে কবে?


ক্যাসিনো সম্রাটের মানিম্যান দুর্নীতিবাজ বায়জিদ খানের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান হবে কবে?

যুবলীগ থেকে বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বায়জিদ আহমেদ খান। বড় বড় দুর্নীতিবাজদের তালিকায় রয়েছে তার নাম। সে ছাত্রলীগের সভাপতি থাকা অবস্থায় বিভিন্ন টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজী ও ক্যাসিনোর সাথে জড়িত ছিল এবং এই ক্যাসিনোর মাধ্যমে সে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। এতসব কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত তবুও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? 

ইসমাইল হোসেন সম্রাটের সহযোগী হিসেবে এমন কোন অপকর্ম নাই যা তিনি করেননি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি থাকা অবস্থায় টাকার বিনিময়ে পকেট কমিটি বাণিজ্যের সাথে জড়িত ছিল। এছাড়াও অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের চাহিদা মোতাবেক পদ দিতে পারেননি। ছাত্রলীগের সাবেক এ সভাপতি বায়জিদ আহমেদ খানের বিরুদ্ধেও শুদ্ধি অভিযান প্রয়োজন।

নিন্মে তার অবৈধ সম্পদের হিসেব পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো।

১। পটুয়াখালীর কুয়াকাটাতে তার বিনিয়োগ আছে প্রায় ২ কোটি টাকা।

২। মঠবাড়ীয়াতে তার আলিসান বাড়ি রয়েছে। দুই বছর আগেও যার কোন অস্তিত্ব ছিলো না। বাড়িটি তৈরী করতে আনুমানিক ১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

৪। ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নামে-বেনামে অনেক অ’বৈধ সম্পদ রয়েছে।

৫। সামান্য একজন ছাত্রলীগের নেতা হয়ে তার গাড়ি রয়েছে ২টি। যার একেকটির গাড়ির মূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা করে। তিনি ৪০ হাজার টাকার এপার্টমেন্টে বসবাস করে। এছাড়াও নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে যার আনুমানিক মাসিক ব্যয় লক্ষাধিক টাকা। তার নামে ১ কোটি টাকার ব্যাংকে এফ.ডি.আর আছে এবং পোষ্ট অফিসে ৫০ লক্ষ টাকার এফ.ডি.আর আছে। এছাড়াও সঞ্চয়পত্র আছে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার। এছাড়াও শেয়ার বাজারে তার বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে।

৬। তার গ্রামের বাড়িতে প্রায় ৩ কোটি টাকারও বেশি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে।

৭। বিভিন্ন ব্যাংকে তার নামে-বেনামে অনেক টাকা আছে। এছাড়া পিরোজপুর এবং ঢাকা জেলার বিভিন্ন সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে গোপনীয়ভাবে ত’দন্ত করলে তার কোটি কোটি টাকার সম্পদ বেরিয়ে আসবে।

এ ব্যাপারে বায়জিদ আহমেদ খান এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য ফোন দেওয়া হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন কে’টে দেন।

মন্তব্য

উপর