logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ভিজিডির চাল বিতরণ নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ


সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ভিজিডির চাল বিতরণ নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নে ভিজিডি চাল বিতরণে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যগন দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েছেন। স্থানীয় উপকার ভোগীরা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও করেছেন। ২০১৯ -২০ অর্থ বছরের ৫৭৩ জন দুঃস্থ মহিলাদেও মধ্যে ভিজিডির চাল বিতরণ করা হয় আজ। ভাতাভোগী মহিলাদের অভিযোগ চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রতি কার্ডধারী মহিলাদের নামে হিসেব খুলে প্রতিমাসের সঞ্চয় বাবদ ২৭৫ টাকা করে জমা দেয়ার কথা থাকলেও ইউপি সদস্যগন সরকারি নিয়মের ব্যতয় ঘটিয়ে ৩ মাসের সঞ্চয় বাবদ ৮২৫ টাকার স্থলে ৯০০ টাকা করে প্রতিজনের কাছ থেকে ৭৫ টাকা বেশি আদায় করেছেন। এহিসেবে ৫৭৩ জনের কাছ থেকে ৪২ হাজার ৯৭৫ টাকা অতিরিক্ত আদায় করেছেন। মেরুয়াখলা গ্রামের রতন মিয়ার স্ত্রী মোর্শেদা খাতুন বলেন, তার কাছ থেকে ইউপি সদস্য তিনমাসের সঞ্চয়ের কথা বলে ৯০০ টাকা নিয়েছেন। একই গ্রামের রাহিমা আক্তার বলেন, আরও দুইমাস আগে স্থানীয় ইউপি সদস্য তার কাছ থেকে সঞ্চয়ের টাকা সংগ্রহ করেছেন কিন্তু সেসময় টাকাব্যাংকেজমাদেয়াহয়নি। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করার পর টাকা ব্যাংকে জমা দেয়া হয়েছে। একই গ্রামের নাজমা বেগম বলেন, আমরা গেরামের মানুষ  অতো হিসাব কিতাব বুঝি না মেম্বারে কইছে ৯০০ টাকা দেয়ার জন্য আমরা টেকা দিছি। ধনপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন,আমরা অতিরিক্ত টাকা নেই নাই। মহিলাদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে  ব্যাংক টাকা জমা দিয়েছি। আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুলো সত্যনয়। এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী বলেন, আমি কারো টাকা সংগ্রহ করিনি। ইউপি সদস্যগন টাকা সংগ্রহ করেছেন। অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ লিখিতভাবে কেউ করলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। ব্যাংক এশিায়ার বিশ্বম্ভরপুর এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুদীপ ঘোষ বলেন, মহিলাদের সঞ্চয়ের টাকা নেয়ার সরকারি চিঠির প্রেক্ষিতে ব্যাংকে হিসেব খোলা টাকা সংগ্রহের বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছি। আমাদের নির্দেশনা ছিলো অক্টোবর মাসের হিসেব খুলে টাকা জমায় দেয়ার কথা কিন্তু বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ৫৭৩টি হিসেবের মধ্যে ৫২৩ টি হিসেব সম্পন্ন হয়েছে। ৫১টি হিসেব বাকী আছে।  প্রতিমাসে ২৭৫টাকাহিসেবে ৪ মাসের ১১০০ টাকা করে পাওয়া যাবে। এই ইউনিয়ন থেকে ৫৭৩ জন মহিলার কাছ থেকে তিন মাসের সঞ্চয় বাবদ ৪ লাখ ৭২ হাজার ৭২৫ টাকা পেয়েছি। আজকে  সঞ্চয়ের টাকা নেয়া হচ্ছে। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,আগের দায়ের করা অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আবার নতুন করে কেউ লিখিত অভিযোগ করলেও তাও দেখা হবে।

মন্তব্য

উপর