logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

কুলিয়ারচরে ‘আওয়ামী তথ্য-প্রযুক্তি লীগ’ নামে এক ভূয়া সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত


কুলিয়ারচরে ‘আওয়ামী তথ্য-প্রযুক্তি লীগ’ নামে এক ভূয়া সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বাংলাদেশ আওয়ামী তথ্য-প্রযুক্তি লীগ নামে এক ভূয়া সংগঠনের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের ষোলরশি গ্রামে আয়েশা রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কেক কেটে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেন আয়েশা রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের সভাপতি লায়ন মোস্তাক আহমেদ, কুলিয়ারচর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ মোঃ ফজলুর রহমান ও ছয়সূতী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষক কবির আহমেদ সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।


জানা যায়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বীকৃত সহযোগী সংগঠনের সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো, মহিলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, যুব লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতী লীগ, যুব মহিলা লীগ ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সংখ্যা হলো ৩টি। এগুলো হল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এবং জাতীয় শ্রমিক লীগ। এই ১০টি সংগঠনের বাইরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বীকৃত আর কোন সংগঠন নেই।


মহিলা আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালের ২৭ ফেব্রæয়ারি, কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল, যুব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর, স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালের ২৭ জুলাই, তাঁতী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ, যুব মহিলা লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালের ৬ জুলাই, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের মে মাসে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর এবং জাতীয় শ্রমিক লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালের ১১ অক্টোবর।


উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকাকালে ‘বঙ্গবন্ধু’ ও ‘লীগ’ শব্দ যুক্ত করে প্রায় শতাধিক ভূঁইফোড় সংগঠন গড়ে উঠেছে। এবার এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী তথ্য-প্রযুক্তি লীগ’। এ ভূঁইফোড় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় হিসেবে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে রাজধানীর নয়া পল্টনের ৫৫/বি, নোয়াখালী টাওয়ার। যদিও এ ঠিকানা অনুযায়ী নোয়াখালী টাওয়ারে এ সংগঠনের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।


এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, ‘এসব ভূঁইফোড় সংগঠনকে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে কোনো স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। এ সবসংগঠনগুলো যদি আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে কোন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে তাহলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নেয়া হবে।


আওয়ামীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন সাংবাদিকদের বলেন, এ নামে আওয়ামী লীগের কোন সহযোগী সংগঠন নেই। এ সংগঠনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোন সম্পর্কও নেই’।

মন্তব্য

উপর