logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

সাইপ্রাসে বাংলাদেশি প্রবাসীদের করুণ অবস্থা


সাইপ্রাসে বাংলাদেশি প্রবাসীদের করুণ অবস্থা
নর্থ সাইপ্রাসে আগামী (৬ এপ্রিল) পর্যন্ত কারফিউ জারি করেছে দেশটির স্থানীয় সরকার। ফলে সাইপ্রাসে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা রয়েছে করুণ অবস্থায়।


কারফিউর ভিতরে সুপার মার্কেট, পেট্রোল স্টেশন, হাসপাতাল, ফার্মেসি এবং ব্যাংকের জরুরী কাজকর্ম চলবে। এই সময়ের মধ্যে, পরিবেশ গুলির ধারাবাহিকতার জন্য কিছু সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে বলে জানা গেছে।


এদিকে বাড়ি পরিদর্শন, ভ্রমণ, পিকনিক, খেলাধুলা,বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেয়াসহ জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সকল প্রকার রেস্টুরেন্ট এবং হোটেল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।


কেউ নিষেধাজ্ঞার লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতার করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


নর্থ সাইপ্রাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা আলী পিল্লি দেশটির গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সোমবার ২০ জনকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ১ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। তিনি জানান, এ নিয়ে নর্থ সাইপ্রাসে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪০ জনে। মৃতের সংখা ২ জন। মৃত দুইজনই জার্মান নাগরিক বলে জানান তিনি।


এ ব্যাপারে সাইপ্রাস প্রবাসী বাংলাদেশি কল্যাণ সংসদের সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল ভূঁইয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সাইপ্রাসে এখন পর্যন্ত কোন বাংলাদেশি আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।  


তিনি আরো জানান, সাইপ্রাসে ১০ হাজারের ও অধিক বাংলাদেশির বসবাস, করোনা ভাইরাস মহামারির জন্য গত ১৪ মার্চ থেকে স্থানীয় সরকার ঘোষণা অনুযায়ী কাজ বন্ধ এবং ৬ এপ্রিল পর্যন্ত কারফিউ জারি করেছেন দেশটির স্থানীয় সরকার। 


এ অবস্থায় এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের প্রবাসীদের বেতন দেওয়ার জন্য কোন রকম  সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি আমরা যারা বাড়া বাসায় থাকি এই ব্যাপারেও কোন রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আমাদের এখন কাজ বন্ধ, যদি কাজ করতে না পারি তাহলে বেতন পাওয়া অনিশ্চিত, আমরা যদি বেতন না পায় তাহলে কি করে বাড়ি ভারা পরিশোধ করবো।


সংগঠনটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাইমুর রহমান দুর্জয় জানান, দেশটির বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম অনেক বেশি, আমাদের কারো হাতে এখন অতিরিক্ত অর্থ নেই। এরাই মাঝে অনেকে অসুস্থ হয়ে পরেছে। এ মতাবস্থায় আমরা প্রবাসীরা দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন পার করছি, আগামীতে আমাদের কী অবস্থা হবে জানা নেই। আল্লাহর উপর ভরসা করা ছাড়া আমরা প্রবাসীদের আর কিছুই করার নাই।

মন্তব্য

উপর