logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

সবাইকে কাঁদিয়ে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন কুলিয়ারচরের আফতাব উদ্দিন হুজুর


সবাইকে কাঁদিয়ে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন কুলিয়ারচরের আফতাব উদ্দিন হুজুর

হাজারো মানুষকে কাঁদিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক ও সবার প্রিয় হযরত মাওলানা আফতাব উদ্দিন হুজুর।

সোমবার (২৯ জনু) সকাল ১১ টায় হুজুরের প্রাণের প্রতিষ্টান ও সাবেক কর্মস্থল সালুয়া ফাজিল মাদ্রাসার ঐতিহাসিক ঈদগাঁ মাঠে নামাজে জানাজা শেষে তাঁর নিজ গ্রাম উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের মধ্য সালুয়া গ্রামের পশ্চিম পাড়া মলবী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

গতকাল রোববার (২৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে ঢাকার শের-ই বাংলা নগর জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আফতাব উদ্দিন হুজুর মারা যান।

এর আগে গত (২৬ জুন) শুক্রবার আসরের নামাজ পড়া শেষ হলে হযরত মাওলানা আফতাব উদ্দিন হুজুরের বুকে প্রচণ্ড ব্যাথা শুরু হলে প্রথমে তাকে বাজিতপুরের ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁর স্বাস্থ্যের আরও অবনতি দেখা দিলে এখান থেকে তাকে ঢাকার শের-ই বাংলা নগর হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে দেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পরদিন সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে হযরত মাওলানা আফতাব উদ্দিন হুজুরের মরদেহ সালুয়া ফাজিল মাদ্রাসার ঈদগাঁ মাঠে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে এক নজর দেখার জন্য সর্বস্থরের মানুষ ভিড় জমায়। এ সময় করোনা পরিস্থিতির কারণে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে একে একে সবাই তাকে শেষবারের মত শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর হযরত মাওলানা আফতাব উদ্দিন হুজুরের কর্মজীবনের ওপর স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা করেন স্থানীয় আলেম সমাজ, রাজনৈতিক, সমাজিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা শেষে সকাল ৯ টায় সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।নামাজে জানাজা পরিচালনা করেন মরহুমের বড় ছেলে মাওলানা মোঃ সাইফুল ইসলাম।

পরে হুজুরের মরদেহ তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে হুজুরের বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ও চার ছেলেসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মন্তব্য

উপর