logo
Floating 2
Floating
শিরোনাম

বেনাপোলের কাস্টমস থেকে ২০ কেজি স্বর্ণ চুরির ঘটনায় ৭ জনের নামে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিআইডি।


বেনাপোলের কাস্টমস থেকে ২০ কেজি স্বর্ণ চুরির ঘটনায় ৭ জনের নামে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিআইডি।

যশোর বেনাপোলের কাস্টমস হাউজের ভোল্ট ভেঙ্গে ২০ কেজি স্বর্ণ চুরির মামলায় সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও ভোল্ট ইনচার্জসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে সিআইডি পুলিশ।

মামলার তদন্ত শেষে সোমবার (১৪ জুন) আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম।

অভিযুক্তরা হলেন রাজবাড়ির বালিয়াকান্দি উপজেলার বাঁধুলী খালপাড়া গ্রামের মৃত জালাল সরদারের ছেলে ও বেনাপোল কাস্টমসের সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শাহিবুল সরদার, খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার জয়পুর গ্রামের রনজিৎ কুন্ডর ছেলে এবং সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও ভোল্ট ইনচার্জ বিশ্বনাথ কুন্ডু, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার চেঙ্গুটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও ভোল্ট ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম মৃধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার চারুয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও ভোল্ট ইনচার্জ মোহাম্মদ অলিউল্লাহ, বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার অম্বিকাপুর গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও ভোল্ট ইনচার্জ আরশাদ হোসাইন, খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমান মল্লিকের ছেলে বেনাপোল কাস্টমসের বেসরকারি কর্মী আজিবার রহমান মল্লিক ও বেনাপোলের ভবেরবেড় পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিল শেখের ছেলে শাকিল শেখ।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৭ নভেম্বর রাত আটটা থেকে ১১ নভেম্বর সকাল আটটার মধ্যে যেকোনো সময় বেনাপোল কাস্টমস হাউজের পুরাতন ভবনের ২য় তলার গোডাউনের তালা ভেঙে চোররা ভোল্ট খুলে ১৯ কেজি ৩১৮ দশমিক ৩ গ্রাম স্বর্ণ চুরি করে, যার মূল্য ১০ কোটি ৪৩ লাখ ১৭ হাজার ৩৬২ টাকা। এই ভোল্টের চাবি শাহিবুলের কাছেই থাকতো। এছাড়া গোডাউনের বিভিন্ন লকারে স্বর্ণসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল। সেগুলো অক্ষত ছিল। ঘটনার সময় সিসি ক্যামেরা বন্ধ ছিল।

বিষয়টি জানাজানি হলে কাস্টমস হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা এমদাদুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ গোডাউনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিবুলকে সাময়িক বরখাস্ত করে। প্রথমে বেনাপোল পোর্ট থানা এবং পরে সিআইডি পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে। সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জাকির হোসেন প্রথমে তদন্ত শুরু করেন। তার অন্যত্র বদলি হওয়ায় পরিদর্শক হাসান ইমাম মামলা তদন্ত করেন। সর্বশেষ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম তদন্ত শেষে আদালতে এই মামলার চার্জশিট দাখিল করেছেন।

আদালতে দেয়া চার্জশিটে তিনি উল্লেখ করেন, আসামিরা বিভিন্ন সময় দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পূর্বপরিকল্পিতভাবেই এসব সোনা চুরি করেছে। অভিযুক্ত সব আসামিকে আটক দেখানো হয়েছে।

মন্তব্য

উপর